রবিবার, এপ্রিল ১৪

ক্ষতগুলো ছিল নিখাদ লোক-দেখানো : আশরাফ জুয়েল

0

Eid Motifবিষণ্নতা টুটি চেপে ধরলে ধূলিধূসর প্রশ্বাসগুলো জমা দেই কবিতার কাছে, পঙ্ক্তিগুলো ধীরেধীরে বিষণ্নতার মুঠো থেকে আমার শ্বাসনালীকে মুক্ত করে। পৃথিবীর আকাশ চরে বেড়ানো বাতাস ক্রমশ অবরুদ্ধ বায়ুথলিকে অক্সিজেনযুক্ত করে, নেতিয়ে পড়া স্নায়ুকোষ থেকে অশুভ চিন্তার মেঘছায়া সরে যেতে যেতে পরাজিত হতে থাকে, এভাবেই বারবার কবিতা এক সাম্ভাব্যমৃতদেহ থেকে উদ্ধার করে আমাকে। রাত পৌনে দুইটা, পড়ছিলাম মাহমুদ দারবিশ— ‘আমাকে চিনতে পারেনি ওরা, অন্ধকারে যে অন্ধকার শুষে নিয়েছিল সব রং আমার পাসপোর্টের। ওদের কাছে আমার ক্ষতগুলো ছিল নিখাদ লোক-দেখানো…’ এই জায়গায় এসে ঠেকে যাচ্ছি, পুনরায় পড়ছি— নিজেকে মনে হচ্ছে সেই অভাগা পুঁটি মাছের পোনা— যে জল ছেড়ে নিজের ভুলে বা ঢেউয়ের দৌরাত্মে উঠে পড়েছে কাদামাখা ডাঙায়, শত চেষ্টা করেও নাগাল মিলছে না নিজ আবাসের।

অনুভব করি ভেতরে চাষ হতে থাকা পিঁপড়ার দল ডানা মেলছে, কামড়ে কামড়ে অন্ধকার করে দিচ্ছে চারিদিক, অন্ধ হয়ে যাচ্ছি কি না জানি না, তবে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না অথবা এমনও হতে পারে আমিই বন্ধ করে আছি চোখ।

বারবার ফিরে যাচ্ছি শেষ লাইনটার কাছে, ‘ওদের কাছে আমার ক্ষতগুলো ছিল নিখাদ লোক-দেখানো… ওদের কাছে আমার ক্ষতগুলো ছিল নিখাদ লোক-দেখানো… অনুভব করি ভেতরে চাষ হতে থাকা পিঁপড়ার দল ডানা মেলছে, কামড়ে কামড়ে অন্ধকার করে দিচ্ছে চারিদিক, অন্ধ হয়ে যাচ্ছি কি না জানি না, তবে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না অথবা এমনও হতে পারে আমিই বন্ধ করে আছি চোখ। এমতবস্থায় কতোক্ষণ কেটে গেছে জানি না, বন্ধ চোখেই ডান হাতের বন্ধ ঘড়িটার দিকে তাকাই— দেখি বাকানো ধনুকের রাগান্বিত জিহবা হয়ে তীরের ভঙিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে সময়।

একটা অচেনা আর্তচিৎকারে আমার অন্ধদৃষ্টি ফিরে আসে বাস্তবে, দেখি একটা হাত, বিচ্ছিন্ন, লুটোপুটি খাচ্ছে আমার পড়ার টেবিলে, মাহমুদ দারবিশকে সরিয়ে রাখার সময় পাই না, ত্রস্ত হয়ে তাকাই দেয়ালে ঝুলে থাকা মানচিত্রের দিকে। শরীরবিচ্ছিন্ন হাতটি গোঙাচ্ছে, চিনতে পারছি না কার হাত? আমার এক হাত দিয়ে আরেক হাত নেড়েচেড়ে দেখি, হাত যথাস্থানেই আছে। এক লাফে চেয়ার ছেড়ে দৌড় দেই পাশের ঘরের দিকে— পুত্রের ঘুমন্ত হাত দুটো নিজ হাতে তুলে নিয়ে দেখি, দেখি ওর হাত দুটো ওর হাতের আছে। পাশের বিছানায় কন্যা ঘুমাচ্ছে অঘোরে, না ওর হাতও জায়গা মতোই আছে। আমার বিশ্বাস তালগাছের পাতায় ঝুলতে থাকা বাবুই পাখির বাসার মতো দুলছে, আবার দৌড়ে আসি আমার পড়ার ঘরে। তখনও তড়পাচ্ছে দেহবিচ্ছিন্ন হাতটা— রক্তে ভেসে যাছে মাহমুদ দারবিশের কবিতা। দেখি তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘পাসপোর্ট’ বিচ্ছিন্ন হাতটিকে জড়িয়ে ধরে আছে, জড়িয়ে ধরে আছে পরম মমতায়।

‘এই ওকে ছেড়ে দাও…’ কবিতাকে বলি আমি। ‘কেন? ও থাক আমার বুকের মধ্যে’ আমার কথার তীব্র প্রতিবাদ করে দারবিশের কবিতা। ‘এই হাত তুমি কার? কার দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এসেছো এখানে…’ আমার মস্তিস্ক-খোয়াড়ে আটকে স্মৃতিপাখিকে উন্মুক্ত করে দেই, হয়তো ওরা খুঁজে পাবে ঠিকানা। পায় না। ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।

পুনরায় দৌড়ে যাই আরেক ঘরে, ঘুমন্ত সহধর্মিনীকে ধাক্কা দিয়ে ঘুম থেকে টেনে তুলি, ধড়মড় করে ঘুম থেকে উঠে সে জিজ্ঞেস করে, ‘কী হয়েছে!’ কথা না বাড়িয়ে আমি তার হাত দুটো আমার হাতে তুলে নেই, স্বস্তির নিশ্বাস আমার স্ত্রীর নিদ্রামুখে আছড়ে পড়ে।

বলতে চাইলেও কথা বলতে পারে না দেহবিচ্ছিন্ন রক্তাক্ত হাত। আমার ভেতরের অস্থিরতা উত্তপ্ত বালিতে ফুটতে থাকা খইয়ের মতো ছটফট করে। পুনরায় দৌড়ে যাই আরেক ঘরে, ঘুমন্ত সহধর্মিনীকে ধাক্কা দিয়ে ঘুম থেকে টেনে তুলি, ধড়মড় করে ঘুম থেকে উঠে সে জিজ্ঞেস করে, ‘কী হয়েছে!’ কথা না বাড়িয়ে আমি তার হাত দুটো আমার হাতে তুলে নেই, স্বস্তির নিশ্বাস আমার স্ত্রীর নিদ্রামুখে আছড়ে পড়ে। ‘কী হয়েছে তোমার!’ অবাক বিস্ময়ের সাথে ঘুমঘোর মিলেমিশে একটা অনায্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ‘না কিছু হয়নি, ঘু-মা-ও, ঘুমাও তুমি, তোমার হাতদুটো তোমার হাতে আছে কি না তা দেখছিলাম।’, ‘আমার হাত আবার কোথায় যাবে? যত্তসব পাগলামি, যাও ঘুমাও…’

সে পাশ ফিরে শুয়ে পড়লে দৌড়ে আবার ফিরে আসি পড়ার টেবিলে, দেখি কবি মাহমুদ দারবিশ শুশ্রুষা করছেন বিচ্ছিন্ন হাতটির। ‘এই বিচ্ছিন্ন রক্তাক্ত হাত কার জানেন আপনি?’, ‘কী প্রয়োজন জানার? ও বাঁচতে চায়, চলো ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করি।’, ‘কিন্তু কীভাবে’, ‘শুশ্রুষা, শুধু শুশ্রুষা— ওরা হিংসার বদলে চায় ভালোবাসা, বুঝলে?’ মনোনিবেশ করেন তিনি।

আমি জোর দিয়ে বলি, ‘আব্বা ঘরের লাইট দেন, আর ভালো করে আপনার একহাত দিয়ে অন্য হাত চেক করেন, দ্যাখেন, ওরা ঠিক মতো আছে কি না, আর মার হাতও দ্যাখেন? আমার আতংক করোনা ভাইরাসের মতো আব্বার ভেতরেও ছড়াচ্ছে। ‘তোর মার হাত! ঠিকই তো ছিল…’ একরাশ অস্বস্তি আব্বার মুখের মানচিত্রে কোঁচকানো অবস্থায় বসে আছে। ‘দেখতে বলছি দ্যাখেন আব্বা!’ আমার অস্থিরতা টের পান, আমাকে শান্ত হতে বলেন, দাঁড়া, ‘ফোনেই থাক।’ কয়েক সেকেণ্ড পরেই বলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে, এবার মোবাইল রেখে তুই ঘুমা।’

আমার ভেতরে অস্থিরতা বরেন্দ্রর গ্রীষ্মের মতো তড়পাচ্ছে। মোবাইল ফোন হাতে তুলে আব্বাকে ফোন করি। আতংকিত আব্বা এতো রাতে ফোন পেয়ে বিপদের ঘ্রাণ পান, জিজ্ঞেস করেন, ‘দাদুভায়েরা ঠিক আছে তো?’ বলি, ‘আব্বা ওদের হাত জায়গা মতোই আছে, আপনার হাত দুটো ভালো করে দ্যাখেন তো?’, ‘আমার হাত? আমার হাতের আবার কী হলো?’ সত্তর বছরের ঘুমের ছানি পড়া বৃদ্ধদৃষ্টি ঠিক মতো দেখতে পাবে বলে বিশ্বাস হয় না, আমি জোর দিয়ে বলি, ‘আব্বা ঘরের লাইট দেন, আর ভালো করে আপনার একহাত দিয়ে অন্য হাত চেক করেন, দ্যাখেন, ওরা ঠিক মতো আছে কি না, আর মার হাতও দ্যাখেন? আমার আতংক করোনা ভাইরাসের মতো আব্বার ভেতরেও ছড়াচ্ছে। ‘তোর মার হাত! ঠিকই তো ছিল…’ একরাশ অস্বস্তি আব্বার মুখের মানচিত্রে কোঁচকানো অবস্থায় বসে আছে। ‘দেখতে বলছি দ্যাখেন আব্বা!’ আমার অস্থিরতা টের পান, আমাকে শান্ত হতে বলেন, দাঁড়া, ‘ফোনেই থাক।’ কয়েক সেকেণ্ড পরেই বলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে, এবার মোবাইল রেখে তুই ঘুমা।’, ‘আব্বা আপাকে ফোন করে দেখবেন!’ ফোন কেটে দিই। আব্বা হয়তো আপাকে ফোন দেবেন না, কিন্তু আমার ভয় কাটে না, কার হাত, রক্তাক্ত হাত, একেবারেই তাজা, মনে হচ্ছে এইমাত্র দেহ থেকে বিছিন্ন হয়েছে, কিন্তু আমার পড়ার টেবিল কেন?

চারিদিকে বড়ো অশান্তি চলছে। মানুষের মনের অশান্তি এখন ভর করেছে তাদের লোকমায়। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে, বেড়েছে পেঁয়াজের, আপাতত এসব নিয়ে ভাবছি না, আমার সদ্য কবিতাপড়া হৃদয়ে ড্রাম পেটাচ্ছে একটা কাটা হাত, দ্রি-ম দ্রি-ম দ্রি-ম, দ্রিমদ্রিমদ্রিম, দ্রি-ম, দ্রি… ছিটকে পড়ছে উষ্ণ রক্ত, চারিদিকে অস্থিরতার নাড়ি লাফাচ্ছে নিয়ন্ত্রণহীণ হৃদস্পন্দনের মতো। দুমড়েমুচড়ে দিচ্ছে আমার সকল আত্মবিশ্বাসকে, স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, হেরে যাচ্ছি। দারবিশের কবিতা আমাকে ডাকছে অনন্তের আড়ালে, আমি তবু ফুটন্ত জলের তলানি হয়ে পাক খাচ্ছি।

‘এসো, বসো পাশে, এই এইখানে, যেখানে বাতাস উড়ছে পাখির ডানা ধরে, নিশ্চিন্তে’ দারবিশ আমাকে ডাকছেন এক মুকুটহীন অনিবার্য পরিনতির দিকে, আমি যাকে ভাবছি পতনের সিঁড়ি। ‘তুমি কী জানো পৃথিবীর ইতিহাস?’ শান্ত শীতের জলের উপর বয়ে যাওয়া মৃদু বাতাসের ঢঙ্গে বলেন তিনি। ‘জানি না, আপাতত জানতেও চাই না, এই হাত আমার ভাবনাকেন্দ্রকে পঙ্গু করে দিয়েছে, আমি জানতে চাই না, প্লিজ, এসব জিজ্ঞেস করবেন না।’

আমাকে শান্ত করতেই কী না— হাত রাখলেন ব্যথাকাতর কাটা হাতটির হাতে, ‘শান্ত হও, শান্ত হও, তোমার সকল অস্থিরতা, সকল ব্যথা একদিন শেষ হবে।’ শীত রাতে বাতাস না পাওয়া নিমপাতার মতো অনড় আমি, আমার সকল ধৈর্য্য একমুখী— কাটাহাতটির প্রতি। মরে যাচ্ছে বলেই কিনা— হাতটির আঙুলগুলো বাঁকা হতে হতে কুকড়ে আসছে, ক্রমশ মুষ্টির আকার ধারণ করছে, নাকি এ আমার দৃষ্টিভ্রম, জানি আমাকে এখনই ফিরে যেতে হবে কবিতার কাছে, এছাড়া মুক্তি নেই আমার, মুষড়ে পড়ি।

‘তুমি কে?’ মুখ ফস্কে পুনরায় শব্দগুলো অলস ভঙ্গিতে গড়িয়ে পড়ে। উত্তর পাই না। হয়তো পাবার কথাও নয়। তীব্র কষ্টানুভূতিকে সযত্নে আড়াল করে হাতটি আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসে, বর্তমানের কল্পজগতে সেই হাসিমুখ আছড়ে পড়ে আমার সকল অক্ষমতা হয়ে। ‘চিনেছো?’ আমার কল্পনাভ্রান্তি মৃদু লবণের স্বাদে আলোড়িত হয়— ‘এ তবে রক্তের ইতিহাস!’

‘পৃথিবীর ইতিহাস হলো ধ্বংসের, আর ধ্বংসের মধ্যেই সৃষ্টির বীজ লুকিয়ে থাকে। তুমি কী অপেক্ষায় থাকতে পারবে?’ ‘পারব?’ বলেই বরফশূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি কাটাহাতের দিকে। তখনও তপ্ত রক্ত তার মুখমণ্ডলে আলোর আয়না হয়ে জ্বলজ্বল করছে, আমি সভয়ে সেই আয়নায় নিজের অবিশ্বাসী চেহারা দেখছি। ‘তুমি কে?’ মুখ ফস্কে পুনরায় শব্দগুলো অলস ভঙ্গিতে গড়িয়ে পড়ে। উত্তর পাই না। হয়তো পাবার কথাও নয়। তীব্র কষ্টানুভূতিকে সযত্নে আড়াল করে হাতটি আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসে, বর্তমানের কল্পজগতে সেই হাসিমুখ আছড়ে পড়ে আমার সকল অক্ষমতা হয়ে। ‘চিনেছো?’ আমার কল্পনাভ্রান্তি মৃদু লবণের স্বাদে আলোড়িত হয়— ‘এ তবে রক্তের ইতিহাস!’

কবিতাটি একবার আমার দিকে একবার দারবিশের দিকে আরেকবার কাটাহাতটির দিকে তাকায়। নিশ্চিতভঙ্গিমায় সে বলে, ‘চিনতে পারছো না, চিনতে পারছো না এ হা্ত কার?’ ‘তুমি চিনতে পারছো?’ আমার দিকে তাকিয়ে বলেন তিনি, তবে ঠিক আমাকে নাকি কবিতাকে তা বুঝতে পারছি না। ‘যারা আঁচড় কেটেছে, যারা রক্তাক্ত করেছে, যারা রক্তাক্ত করছে, যারা রক্তাক্ত করবে তাদের সকলের জন্য অভিশাপ, তারা নিশ্চয়ই একদিন ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।’ আমাকে অবাক করে বলে ওঠে কাটাহাতটি, মিশে যায় দারবিশের কবিতার শরীরে, উড়ে যায় অজানা গন্তব্যে। আমি আর দারবিশ বসে থাকি। আমাদের আচ্ছন্নতা সহসা কাটে না, দারবিশ বলেন, ‘আমাকে যেতে হবে।’ তিনি ত্রস্ত-ব্যস্ত, ‘কোথায় যেতে হবে তোমাকে?’ ‘জানি না’ বলেন দারবিশ। অদৃশ্য হতে হতে পুনরায় বলেন, পৃথিবীকে বাঁচাতে প্রয়োজনে দ্বিধাচ্ছন্ন হইয়ো না।’

ঘুম ভাঙে সকালেরও পরে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, মনে হয় পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে দৌড়াচ্ছে। ঘুমক্লান্ত চোখ। আভ্যাসবশত ড্রইং রুমে গিয়ে টিভি চালু করি, কোনো একটা চ্যানেলে বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের প্রায়ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি স্কুলে কৈশরোত্তীর্ণ একটা ছেলেকে দেখাচ্ছে, কাঁধে তার অসমাপ্ত স্কুল, কী যেন খুঁজছে, একটা হাত, হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, আরেকটি হাত বিচ্ছিন্ন। সাথে সাথেই নিজের ডান হাতটিকে আমার শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাঁর উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেই— অশুভের বিরুদ্ধে অস্ত্র চালাতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া হাতটি তার খুব প্রয়োজন। জানি যেদিন অস্ত্র চালানোর প্রয়োজন হবে সেদিন পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্ত থেকে কেউ না কেউ আমার উদ্দেশ্যেও পাঠাবে একটি হাত। শাসক এবং মানচিত্রের খপ্পর থেকে মুক্ত করতেই হবে পৃথিবীকে।

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

জন্ম : ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৭, চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে পড়ালেখা শেষে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন। লেখালেখি করেন প্রাণ থেকে। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: ‘যুদ্ধ ছাড়া শুদ্ধতা অসম্ভব’, ‘অতীতা, দুঃখরা পাখি হয়ে গেল’, ‘বাংলাদেশে হৃদয় মেশে’, অনুজ্জ্বল চোখের রাত (কবিতা)। গল্পগ্রন্থ: ‘রাষ্ট্রধারণার বিরুদ্ধে মামলা ও বিবিধ গল্প’। এই পাণ্ডুলিপির জন্য তিনি জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া, পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা থেকে ইতিকথা মৈত্রী সাহিত্য সম্মাননা-২০১৭ লাভ করেছেন।।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।