শনিবার, এপ্রিল ২০

প্রাচীন ছায়া : পলি শাহীনা

0

সাহারা মরুভূমিতে আমি একাকী দাঁড়িয়ে আছি। কোনদিকে যাব, নির্দিষ্ট কোনো পথ খুঁজে পাই না। সূর্যরশ্মি সোজাসুজি তীক্ষ্ণভাবে আমার ওপরে এসে পড়ছে। ভীষণ ক্লান্ত আমি দরদর ঘামছি। ডানদিকে শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখি মরুর জাহাজ উটে চড়ে আমার বাবা আসছেন, আমার দিকে। তাঁর পরনে ধবধবে সাদা পোশাক, মুখে স্বচ্ছ হাসির ফোয়ারা বইছে। হাসির ঢেউ তুলে তিনি আমার দিকে এগুতে থাকেন, আমি তাঁর দিকে প্রাণপণে ছুটতে থাকি। আমরা খুব কাছাকাছি চলে আসি, বাবাকে জড়িয়ে ধরব ঠিক এই সময়টাতে ঘুম ভেঙে যায়। শোয়া থেকে লাফ দিয়ে আমি বসে পড়ি। বুক ধড়ফড় করছে। খুব কান্না পায় বাবার কথা ভেবে। আমি বৃষ্টির মতো কাঁদতে থাকি। খুব ইচ্ছে করছে এখনই বাবার কাছে ছুটে যেতে। কিন্তু কীভাবে যাব? আমি যে বাবার অবাধ্য হয়ে টুটুলকে বিয়ে করেছি।

বিছানা ছেড়ে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াই। রাস্তায় একেবারে মানুষজন নেই। নির্জনতার চাদরে জড়ানো ল্যাম্পপোস্টের আলো জন্ডিস রোগীর চোখের মতো হলদেটে লাগছে। ভেতর থেকে কে যেন বলে ওঠে, মন খারাপ থাকলে উজ্জ্বল রঙও দৃষ্টিতে ফ্যাকাসে ঠেকে। মনে মনে বলি, তাই তো, মন-ই শরীরের নিয়ন্ত্রক। চোখ মুছে জানালা ছেড়ে ওয়াশরুমে যাই। ফিরে এসে টুটুলের রুমে উঁকি মারি। দেখি ও অঘোরে ঘুমাচ্ছে। নাইট লাইটের মৃদু আলোয় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ওর চোখ, মুখ, দাড়ি-গোঁফ দেখি। বিয়ের আগে ওর প্রতি আমার যে মুগ্ধতা ছিল আজও তা বিন্দুমাত্র কমেনি, বরং বেড়েছে। শুধু ওর চোখে আমি বদলে গেছি। ওর ভাষায়, আমি মুটিয়ে গেছি, চেহারায় লাবণ্যতা নেই, চোখে-মুখে মুগ্ধতার পরিবর্তে নাকি বয়সের ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমার এই পরিবর্তনগুলো ওর চোখে বিয়ের মাত্র চার মাস গড়াতেই ধরা পড়েছে। ওর কথাগুলো চোখ জোড়া ঝাপসা করে তুললেও আমার পা জোড়া সরতে চাইছে না ওর রুমের সামনে থেকে। বিয়ের আগে ও বলেছিল, দাম্পত্য জীবনে যত মনোমালিন্যই হোক আমাদের মাঝখানে যেন দেয়াল না ওঠে। আমি কোলবালিশ ছাড়া ঘুমাতে পারি না জেনে ও বলেছিল, আমাদের মাঝখানে কোলবালিশও দেওয়া যাবে না। অথচ গতকাল মনোমালিন্যের পর ও আজ রাতে অন্য রুমে ঘুমিয়েছে। নিজের দেওয়া কথা নিজেই রাখেনি। ওকে এমন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা আমাকে যন্ত্রণা দেয়। ইচ্ছে করছে ওকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে ঘুমাই। কিন্তু গতকালের ঘটনা বারবার চোখের পর্দায় ভেসে উঠছে, চাইলেও প্রচণ্ড মনোকষ্টে আমি আর সামনে যেতে পারি না। আমার পা জোড়া আটকে থাকে দরজার বাইরে।

বিয়ের আগে ও বলেছিল, দাম্পত্য জীবনে যত মনোমালিন্যই হোক আমাদের মাঝখানে যেন দেয়াল না ওঠে। আমি কোলবালিশ ছাড়া ঘুমাতে পারি না জেনে ও বলেছিল, আমাদের মাঝখানে কোলবালিশও দেওয়া যাবে না। অথচ গতকাল মনোমালিন্যের পর ও আজ রাতে অন্য রুমে ঘুমিয়েছে। নিজের দেওয়া কথা নিজেই রাখেনি। ওকে এমন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা আমাকে যন্ত্রণা দেয়।

বিয়ের কয়েক দিন পর বুঝতে পারি স্টারবাকসের ধোঁয়া ওড়া কফি, আর ম্যানহাটনের সুনসান থাই রেস্তোরাঁয় বসে লাল-নীল আলোয় গরম স্যুপে চুমুক দিতে দিতে প্রেম করা এবং সংসার করা এক জিনিস নয়। একসঙ্গে সংসার শুরু করার পর এমনসব বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছি যা প্রেম করার সময় আমাদের মাঝখানে কখনো আসেনি, কিংবা আসার প্রয়োজন পড়েনি। আমি ইনডিপেনডেন্ট ওমেন, আমাকে টুটুলের পছন্দ করার অন্যতম কারণ ছিল এটি। টুটুলের পরিবার চেয়েছে ও দেশে গিয়ে বিয়ে করুক, এই প্রস্তাবে ও রাজি হয়নি। কারণ, বাড়তি খরচ, তদুপরি দেশে বিয়ে করে একটি মেয়েকে বিদেশে এনে পথঘাট চেনানো থেকে শুরু করে ভাষার ধকল কাটিয়ে ওঠা পর্যন্ত এত ঝামেলা ও নিতে চায়নি। অফিশিয়াল কাজে আমি সব সময় শার্ট-প্যান্ট পরে অভ্যস্ত, এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। বিয়ের কয়েক দিন পর পুরোদিন অফিস শেষে ওর এক বন্ধুর বাসায় রাতে যাওয়ার সময় ক্লান্তিতে শার্ট-প্যান্ট পরে রওনা দিলে ও নারাজ হয়। যদিও পরে ওর পছন্দমতো সালওয়ার কামিজ পরে গিয়েছি। ঝামেলা কিংবা দায়িত্ব নেওয়ার ভয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন নারী ওর পছন্দ, কিন্তু কাজের চাপে ওই নারীর কোনো ক্লান্তি থাকা যাবে না। সেদিন থেকে শুরু হয়ে আজ অবধি চলছে প্রায় সবকিছুতেই আমাদের মতের অমিল, যা আমরা আগে ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারিনি।

ঘুমাতে গিয়ে আবিষ্কার করি ওর বিকট নাক ডাকার শব্দ, এমনভাবে নাক ডাকে যেন বুলডোজারের শব্দ হয়। আমি রুম অন্ধকার করে নিঃশব্দে ঘুমাতে চাই, এদিকে ও আলো জ্বালিয়ে ঘুমায়। শুধু আলো নয় যেকোনো হইচইয়ের মধ্যেও বালিশে মাথা রাখলেই ও ঘুমিয়ে পড়তে পারে, যা আমি পারি না। বাথরুম অপরিষ্কার হলে আমার পেট গোলাতে থাকে। আমি সকালে বাথরুম পরিষ্কার করে বেরিয়ে আসার পর ও দাঁত ব্রাশ করতে গিয়ে পানি, টুথপেষ্ট দিয়ে বেসিন, আয়না নোংরা করে ফেলে রাখে। অদ্ভূত বিষয় লক্ষ করলাম, মোবাইল নিয়ে বাথরুমে ঢুকে স্ক্রিনে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে মনের ভুলে ও কমোড ফ্ল্যাশ না করেই বেরিয়ে আসে। টুটুল সব সময় আড্ডা প্রিয়, বিয়ের আগে বিষয়টি খুব উপভোগও করতাম। অফিস শেষে ওর সঙ্গে আমাদের কমন বন্ধুরা মিলে রেস্তোরাঁয়, কফি শপে আড্ডা দিতাম, খেতাম, ছুটির দিনে নাইট লাইফ এনজয় করতাম, লং ড্রাইভে যেতাম। বিয়ের পর অফিস শেষে ও যখন আমাকে বাসায় একা রেখে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মাঝরাত অবধি মেতে থাকে তখন আমার খুব নিঃসঙ্গ লাগে। কোনো কোনো দিন দাবা খেলতে বসে তো রাতও পার করে দেয়। ভেবেছিলাম, বিয়ের পর তো ও আমার সঙ্গেই থাকবে, এবং এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমার ভাবনা ভুল ছিল। এগুলো নিয়ে আমাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায় প্রতিদিনই খিটমিট লেগে থাকা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিয়ের আগের পরিচিত ভালোবাসার মানুষটাকে বিয়ের পর অপরিচিত মনে হচ্ছে।

পরিবারের অমতে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছি বলে কষ্টগুলো কারো সঙ্গে শেয়ারও পারছি না। বুকের উপর পাহাড়ের মতো ভারি চাপ অনুভব করি। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। শূন্যতা আর যন্ত্রণামাখা ফ্ল্যাশব্যাক চার দেওয়ালের ঘরে আমাকে ঘুমাতে দেয় না। অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধে দুজন ইতোমধ্যে একসঙ্গে খাই না, গান শুনি না, হাসি না, মুভি দেখি না, বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরি না। বিয়ের আগের টুটুলকে আমি হারিয়ে ফেলেছি, খুঁজে পাই না কোথাও। বিয়ের আগের দৃশ্যপটের সঙ্গে বিয়ের পরের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ অচেনা লাগে। ভালোবাসি বলে যতই সবকিছু সামলে উঠতে চাই ততই এলোমেলো হয়ে পড়ছি। অদৃশ্য একটা ভাঙন টের পাই ভেতরে। এত অল্প সময়ে কেমন করে এত দাগ পড়েছে আমাদের ভালোবাসার সম্পর্কে, হিসেব মেলাতে পারি না। এত অসহায় লাগছে! একাকী অন্ধকার রুমে দমবন্ধ হয়ে আসছে। জানালার পর্দা সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। আপনমনে বিড়বিড় করি একে অপরকে দেওয়া আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো। আমার এই অসহায়ত্বের কথাগুলো আকাশ ছাড়া জমিনে আর কেউ নেই যাকে বলতে পারি এই মুহূর্তে। আমাকে একা ফেলে টুটুল দিব্যি ঘুমাচ্ছে, কিন্তু আমার এত নিঃসঙ্গ লাগছে, কান্না পাচ্ছে, মনে হয় এক রাত নয় অনেক রাত আমি ওকে ছাড়া আছি।

জীবনে একটা সময়ে বিষাদ ছিল শুধুই একটা শব্দ। শৈশবে শব্দটি পড়েছি, শুনেছি, প্রয়োজনে বলেছি, এর বাইরে কিছু অনুভূত হয়নি। বাবা-মার আদরে, যত্নে, আনন্দে বুঁদ হয়ে শুধু সামনে এগিয়ে গিয়েছি। জীবনে বিষাদের কোনো জায়গা ছিল না। যৌবনে টুটুলের হাত ধরে পরিবারের অমতে যেদিন বাসা ছেড়ে আসি সেদিন শূন্যতার অনুভূতি হলেও বিষাদগ্রস্ত হইনি।

অস্থির লাগলে ডায়েরি লিখে স্বস্তি পাই, তাই মন অন্যদিকে ফেরাতে ডায়েরি খুলে বসি। মন ও হাত দুটোই হিম হয়ে আছে, কোনোটাই চলছিল না। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও কিছুই লিখতে পারি না। জীবনে একটা সময়ে বিষাদ ছিল শুধুই একটা শব্দ। শৈশবে শব্দটি পড়েছি, শুনেছি, প্রয়োজনে বলেছি, এর বাইরে কিছু অনুভূত হয়নি। বাবা-মার আদরে, যত্নে, আনন্দে বুঁদ হয়ে শুধু সামনে এগিয়ে গিয়েছি। জীবনে বিষাদের কোনো জায়গা ছিল না। যৌবনে টুটুলের হাত ধরে পরিবারের অমতে যেদিন বাসা ছেড়ে আসি সেদিন শূন্যতার অনুভূতি হলেও বিষাদগ্রস্ত হইনি। কারণ, জানতাম বাবা-মা বেশিদিন মুখ ফিরিয়ে রাখবেন না। তাঁরা আমার কথা ভেবে সব ভুলে সহসাই বুকে টেনে নিবেন। জীবনে এই প্রথম, আজ বিষাদ শব্দের অর্থ মর্মে মর্মে টের পাচ্ছি। পেছনে তাকিয়ে দেখি, টুটুল সম্পর্কে বাবা আমাকে যা যা সতর্ক করেছিলেন এর অনেকটার মিল পাই এই কয়েকমাসের মধ্যেই। বাবা বলেছিলেন, বোহেমিয়ান মানুষের প্রতিশ্রুতি কখনো বিশ্বাস না করার জন্য। তাঁর কথা আমি কানে তুলিনি। পরিবারের প্রতি টুটুল উদাসীন ছিল ঠিকই, কিন্তু ও আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিয়ের পর এমনটা থাকবে না। সংসার বিমুখতা ছাড়া ওর অন্য নেশাগুলো বিয়ের আগে আমি ধরতেই পারিনি। এই পরিমাণ মদ-গাঁজার নেশা, নতুন নতুন গার্লফ্রেন্ড তৈরির নেশা আমি দূর থেকে বুঝতাম-ই বা কীভাবে? কান্না আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়া কোনো উত্তর পাই না। ওর নমনীয় ব্যাবহার আর গভীর মায়ার জাদুতে আসলে আমি অন্ধ হয়ে পড়েছিলাম।

টুটুলের গতকালের ঘটনাটি আমার পুরো পৃথিবী অন্ধকার করে দিয়েছে। বিয়ের তিন মাস গড়াতেই গত মাস থেকে ও অন্য মেয়ের সঙ্গে লুকিয়ে কথা বলছে, দেখা করছে, কোনোভাবেই এটি আমি মানতে পারছি না। টুটুলের পিকচার গ্যালারি থেকে আমার কিছু ছবি ফোনে ট্রান্সফার করতে গিয়ে ওই মেয়ের আপত্তিকর ছবিগুলো দেখি। মেয়েটার ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখি হোয়াটস অ্যাপে ওদের অন্তরঙ্গ কথোপকথন। কীভাবে এটি মেনে নেব? মেনে না নিয়ে এর নিষ্পত্তিই-বা করব কীভাবে? কোথায় যাব? কার কাছে বলব এসব? আমি যে আপনজনের সব দরজা বন্ধ করে এসেছি। দিশেহারা হয়ে আমার এবং টুটুলের কমন বন্ধু তানভীরকে কল করে ঘটনাটি জানাতে ও দুঃখ প্রকাশ করে বলল, নতুন নতুন মেয়ে বন্ধু বানানো নাকি টুটুলের কাছে নেশার মতোন। বললাম, এসব আগে আমাকে বলোনি কেন? ‘ভেবেছি বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে নিশ্চয়ই’ প্রত্যুত্তর দিলো ও। তানভীরের কথা শুনে আমি তোতলাতে থাকি, মুখ দিয়ে আর কোনো অর্থবোধক শব্দ বের হয় না। জীবনের সবচেয়ে বড়ো ঝড়ে বিধ্বস্ত আমি। যার হাত ধরে আপনজনদের ছেড়ে বেরিয়ে এসেছি, আজ তার হিংস্র সিংহের মতো আক্রমণে আমি বেঁচে থাকার সকল উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলতে বসেছি। আমার বেঁচে থাকায় অনাগ্রহ, রাজ্যের বিষাদ ঘিরে ধরেছে। টুটুল নির্বিঘ্নে ঘুমাচ্ছে, আর আমার রাতটা গতিহীন হয়ে আছে। জীবনের স্পন্দন থেমে গেলে সময়ও থেমে যায়, বুঝতে পারি।

আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াই। দেখি, আমার কপাল থেকে সংসার করার বর্ণিল স্বপ্নগুলো উড়ে উড়ে দূরে ভেসে যাওয়া মেঘেদের সঙ্গে শূন্যে মিলিয়ে যাচ্ছে। যন্ত্রণার অসহ্য তীব্রতা থেকে মুক্ত হতে ছোটোবেলায় বাবার কিনে দেওয়া যত্নে রাখা পুতুলটা তোরঙ্গ থেকে বের করি, ওর সঙ্গে কথা বলতে থাকি। আচমকা দেখি পুতুলের চোখের মণি ওঠানামা করছে, একটা অপার্থিব চেনা ছায়া খেলছে, বাবার ছায়া। বাবা সাদা পোশাকে নিঃশব্দে মখমলের মতো সবুজ ঘাসের উপর পা ফেলে আমার দিকে হেঁটে আসছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আমার কাছে এসে পৌঁছেছেন, এসেই হাত ধরে আমার প্রিয় গোলাপ বাগানের সতেজ, সুন্দর পরিবেশে আমাকে হাঁটতে নিয়ে গেছেন। আমার অন্ধকার কেটে ভোর হয়। বাবার হাত ধরে চোখ মুছে নির্ভার আমি সূর্যের উদ্ভাসিত আলোয় ডুবে প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে থাকি।

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

জন্ম ৪ জুন, নোয়াখালি জেলায়। স্কুলে পড়ার সময় থেকে লেখালেখি করেন। সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ ছোটোবেলা থেকে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করেন। দেশ-বিদেশের নানা সাহিত্য পত্রিকাসহ অনলাইন সাহিত্য পত্রিকায় লিখছেন। প্রকাশিত গ্রন্থ চারটি। ‘গভীর জলের কান্না’ (কবিতা, ২০১৬); ‘হৃৎকথন’ (স্মৃতিগদ্য, ২০১৯); ‘ধূসর নির্জনতা’ (ছোটোগল্প, ২০২১) এবং ‘হৃদয় এক অমীমাসিংত জলছবি’ (ছোটোগল্প, ২০২৩)। বর্তমানে 'সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক-র সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।