শুক্রবার, অক্টোবর ২২

সেলাই হচ্ছে প্রাণ, হাসি

0

Startআম আঁটির ভেঁপু শব্দ ভেসে আসছে। দূর থেকে হাওয়ায় দুলে দুলে তরঙ্গায়িত সেই সুর কানের কাছে এসে মিহিভাবে প্রবেশ করছে হৃদয়ে। আহা! যেন শরীর ভেসে যাচ্ছে বোশেখের তপ্ত দুপুর ছাপিয়ে কোনো আমের বাগানে। কৃষ্ণচূড়ার লাল দু’চোখ পুড়িয়ে অন্ধ হবার প্রণোদনা দিচ্ছে। যেন এ চোখ লাল ছাড়া কিছু চেনে না। লেলিহান তাপের ব্যঞ্জনে শরীর-মন লাল করে দিতে তার বিপুল আয়োজন। ফুলের এত তেজ, এত তার রূপের তীব্রতা! তখন কিশোরকাল, এত বুঝিনি। কচি চোখে কৌতূহলের রোশনাই। যা দেখে, তাতেই তার মেশার বাসনা। ঝিলিক-মিলিক মন দৌড়ায়। এদিক ওদিক। সকালকে লাটিমের মতো ঘুরিয়ে সন্ধ্যায় টেনে আনতে পারাটাই বাহাদুরির নকশা। টইটই চইচই সারাবেলা। গাছে-মাঠে, বনে-বাদাড়ে, আগাড়ে-পাগাড়ে দৌড়ায় মন। কোকিল ডাকে, ঘুঘু ডাকে—মন চমকায়। ট্রেনের হুইসেলে বুক চড়াৎ করে ওঠে। প্রাণ যায়। চড়ইয়ের মতো ফুড়ৎ ফুড়ৎ করে পা লাফায় পথের ধুলোয়। ঝড়-ঝাপটা, বারণ, শাসন মানবার সময় নেই। সূর্য তাতিয়ে ওঠা কালে আইসক্রিম বিক্রেতার ঘণ্টি বেজে ওঠে। টুং টাং, টুং টাং। গলা শুকিয়ে যায়। ঘণ্টির ধ্বনি দূরে মিলিয়ে যাবার আগেই দে দৌড়। মালাই বরফ। দিল শান্ত করে। মন উতলিয়ে পাখি হবার বাসনা জাগায়।

মিলন মৌলিক জেনে শহুরে আকাশে ওড়ে রঙিন ফানুস, বিচিত্র রঙ-বেরঙের ঘুড়ি কিংবা বাহারি বেলুনে শুভবার্তা নিয়ে উড়ে যায় মহাকাশের গহীন দেশে।

উৎসবের উতরোল নিষ্ফলা মাঠে ছড়িয়ে দেয় বর্ণিল রঙ। মানুষ উৎসবপ্রিয়। পালা-পার্বণে সম্প্রীতির ডোর মেলে দিতে দিতে ভুলে যায় অভিমান, ক্ষোভ। কোলাকুলি-আলিঙ্গনে মেতে ওঠে, মিলিত হয়। মিলন মৌলিক জেনে শহুরে আকাশে ওড়ে রঙিন ফানুস, বিচিত্র রঙ-বেরঙের ঘুড়ি কিংবা বাহারি বেলুনে শুভবার্তা নিয়ে উড়ে যায় মহাকাশের গহীন দেশে। বোশেখের মেলায় ঘোরে চরকি। তাতে দুলে ওঠে উজ্জ্বল রঙের পোশাক পরা মানুষের মুখের হাসি। শিশুর আনন্দ যেন দিগন্তবিস্তারী। খই-মুড়ি-বাতাসা-গুড়ের জিলাপীর ঝাঁকা নিয়ে পসরা বসায় দোকানি। বাড়ি ফাঁকি দিয়ে দল বেঁধে চলে যেতাম বোশেখের মেলায়। জমানো পয়সায় কিনতাম কাঁখে কলস নেয়া মাটির পুতুল, পাখির বাঁশি, মাথা দোলানো বুড়ো দাদু। বাড়ি ফিরে রাতের বেলায় চৌকির ওপর সাজিয়ে রাখতাম সব। বুড়ো দাদুর মাথাটা একটু নাড়িয়ে দিলে দুলতো—সামনে-পিছে, বামে-ডানে। সেই মাথা নড়া দেখতে ভালো লাগতো খুব। পাখিবাঁশিতে ফুঁ দিলে ঘরময় ছড়িয়ে পড়তো পি-পি ধ্বনি। মা হাসতেন। আমি হাসতাম। আমাদের বাড়ি বলতে একটি মাত্র ঘর। উপরে টিনের চালা। দেয়াল ইটের গাঁথনী। ভাড়াবাসা। সূর্যের তাপে টিন তেতে যায়। দরদরে গরমে মা হাতে তুলে নিতেন তালের পাখা। আমার শরীরে এসে লাগতো স্বর্গীয় হাওয়া।

শহরের উপকণ্ঠেই নানা-নানির বাড়ি। ‘মামার বাড়ি ঝড়ের দিনে আম কুড়াতে সুখ’—সেই সুখ কুড়াতেই মায়ের কাছে বায়না। মা রাজি। আনন্দ যেন ঝড় ছাপিয়ে আসে, আনন্দ যেন ঘর কাঁপিয়ে আসে। আহা আহা মনের মধ্যে ময়ূর নেচে ওঠে। রাতে ঘুম হয় না। রাত পোহায় না। সূর্য ওঠে না। সূর্য কি দাদার বাড়ি বেড়াতে গেল? ওঠে না ক্যান? নানান উত্তেজনা। ভোর হয়। মোরগের ডাক ভেসে আসে—কুকরু কু-উ… ধড়ফড় করে উঠে বসি। মাকে ডাকি, ওঠো। সকাল হলো। মা ‘উ’ করে বলেন, আন্ধার কাটেনি ঘুমা এখন। আমার তর সয় না। মোরগ ডাকে, সকাল কেন হয় না? ভোরের কুসুম আলো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে দিতে সূর্য লাল হয়ে ওঠে। গরম বাড়ে। ঘাম ঝরে। আমি আর মা রিকশায় চড়ি। গন্তব্য সাহেববাজার। রিকশা চলে। চাকা ঘোরে। আমি কাঁপি। সিটে বসতে পারি না। পাদানিতে বসি। সিটের নিচের রড শক্ত করে ধরি। মা আমার ঘাড় ধরে থাকেন। কারণ, রিকশা ব্রেক কষলেই আমি ডিগবাজি খাই। রাজার শহরে টমটম চলে। আমি ঘোড়ার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। টগবগ টগবগ করে ছোটে। রিকশার পাশ ঘেঁষে যায়। ভয়ে কুঁকড়ে যাই। পাদানিতে বসে প্যাডেল ঘোরা দেখি। আরো দেখি মাটির রাস্তা কীভাবে বায়োস্কোপের মতো সরে যাচ্ছে, রোদ মেখে গাছগুলো ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। রিকশার চাকা ঘোরে, মাটি সরে যায়। ইতিউতি তাকাই। কোনো মোটরগাড়ি দেখলেই মাকে ডেকে দেখাই। মা আমাকে লাল লাল দালানগুলো দেখান। আমি বিস্মিত হই। সাহেববাজার আসে। টাউনসার্ভিস বাস দাঁড়িয়ে থাকে। বাসের পেঠের মধ্যে আমরা সেঁধিয়ে যাই।

কাটাখালি এসে থামে বাস। যাবো বেলঘরিয়া গ্রাম। পায়েহাঁটা পথ। আমি আর মা হাঁটি। বাবা কাজে ব্যস্ত। এ যাত্রায় আসেননি তিনি। ধুলোপথ। সামনে ক্যাচক্যাচ শব্দ করে এগিয়ে চলেছে গরুরগাড়ি। ধুলোয় অন্ধকার পথ। স্যান্ডেল হাতে নিয়ে দৌড়াই গাড়ির পিছন পিছন। কী আনন্দ! আনন্দ কি গাছে ধরে, মা? পথের দুপাশে হরেক গাছগাছালি। ডানপাশে বয়ে গেছে এক চিলতে খাল। যেয়ে মিশেছে পদ্মার নাভিতে। জলে-জঙ্গলে আমার ভীষণ টান। খোকসার খসখসে পাতা নাড়তে ভালো লাগে খুব। কাঁঠাল, নারিকেল, আম, জাম, বেল, বরই, ডুমুর, ভেন্না, পিঠালু, পেঁপে, বেল, বাতাবি, খেজুর, তেঁতুল, তাল… হাজারো গাছে ঘেরা একটা থকথকে গ্রাম। গাছের পাতায়-শরীরে ধুলোর আস্তরণ জমে তাদের আর চেনাই যায় না। মাকে বলি, এগুলো কি ধুলোর গাছ? মা, আমি বড় হলে ধুলোগাছ হবো। মা বলেন, চল চল। ওই তো সামনেই বাঁশঝাড়। চলে এসেছি। আমার ইংলিশ প্যান্ট-জামা ধুলো মেখে ছালা হয়ে যায়। মায়ের শাড়ি যেন ধুলোর ক্যানভাস…

মাটির তিনটে ঘর। সামনে বিশাল বাঁশঝাড়। জঙ্গল। রাত হলে গা থমথম করে। পাশে পুকুর। বনমোড়গ ও শেয়ালের ডাক ভেসে আসে। জোনাকির মিটিমিটি আলো ঝিঁঝির স্বরলিপি মাতিয়ে রাখে। নানি আমার চুলে বিলি কেটে দেন। নানা ফকির মানুষ। ধ্যানে মশগুল থাকেন। আমাকে দেখে জগত ভোলানো হাসি ছড়িয়ে দেন। এত সুন্দর, এত মোহিনী-হাসি আমি আজ অবধি দেখিনি। যেন তার হাসির ফোয়ারায় মহুয়ার গন্ধ ছড়িয়ে যায়। মন ভরে ওঠে দরদি স্নেহের আলিঙ্গনে। ছোটবেলা থেকেই আমি বেশ অভিমানী, জেদে অটল। কোনো বাধা দিয়ে রুখে রাখবার জো নেই। বন আমাকে ডাকে। জঙ্গল আমাকে ডাকে। মাদারগাছ আমাকে ডাকে। যজ্ঞডুমুর আমাকে ডাকে। নদী আমাকে ডাকে। বনমোড়গ আমাকে ডাকে। রক্তজবা আমাকে ডাকে। এই এত এত ডাক আমি ফেরাতে পারি না। মাদারগাছের নিচে দাঁড়িয়ে আমি চুপ হয়ে যাই। ভেতরে বিবিধ তরঙ্গ কাজ করে। স্বর্গের সুধা অনুভব করি। এর টকটকে সিঁদুরে রঙের ফুলের দিকে তাকিয়ে দেখি—পাতা ছাড়া সাজিয়ে রেখেছে লালের অঞ্জলি। মাদারের ডাল কেটে বেড়া বানিয়ে ঘেরা ছিল নানাবাড়ির ভিটে। পুকুরপারের পিঠালুগাছ ছেয়ে থাকতো আলোকলতায়। কী অপূর্ব সেই দৃশ্যাবলি। পুকুরে হাপুস-হুপুস ডুব দিয়ে ঝিনুক ও শামুক তুলে আনার নেশা যেন এখনো মদির করে তোলে। কাঁকড়ার পায়ে সুতো বেঁধে ছেড়ে দিতাম মাটিতে। ফড়িং ধরে ধরে পাখা ছিঁড়ে ভরে রাখতাম কাচের বয়ামে। এখন সেই ডানা ছেঁড়ার কথা মনে হলে মনখারাপ করে। কষ্ট পাই। কত কষ্টই না জমে আছে জীবনে জীবনে, মনে মনে।

বোশেখ আসে, বোশেখ যায়। হাজার বছর ধরে তার হাঁটাহাঁটি। ঝড়ে-ঝাপটায়-তাপে-বৃষ্টিতে-শিলায় সলিলে। সময় বহিয়া যায়। বয়ে বয়ে আনে নব নব রূপের সম্ভার। পালটায় যাপনের রঙ। উদ্যাপনের ভাষা, ভঙ্গি। শিঁকেয় তোলা থাকে আমের শুকনো আমচুর। টকমিষ্টি আচার। বাক্স থেকে বেরিয়ে আসে বৈশাখি পোশাক। প্রসাধন। আলতা। নূপুর। বুকের ভেতর গুঞ্জন তোলে নয়াবছরের আবাহন গীত। ঠোঁট নড়ে ওঠে শুভ প্রার্থনায়। নদী শুকিয়ে গেলেও সময় বসে থাকে না জলের আশায়। বদলে যায় গ্রাম ও নগরের উৎসব যাপনের ধার ও ধারণা। আমাদের পরিবারে আসে আরো দুই ছোট ছোট মুখ। প্রাণ বেড়ে গেলেও আমাদের ঘর বাড়ে না। একটা ঘরেই তিন ভাইবোন গাদাগাদি করে থাকি। একদিন গভীর রাতে ওঠে কালবোশেখি ঝড়। প্রমূর্ত তার রূপ। আমরা ভয়ে কুকড়ি-মুকড়ি হই। মা কলেমা পড়েন। তুমুল ঝড়ে গাছ উপড়ে যায়। তুলোর মতো ভাসে ঘরের চালা। উড়িয়ে নেয় টিন। কিচকিচে ধুলোয় মাখামাখি বাড়ি, উঠোন, রাস্তা। রাত ও মেঘের কুচকুচে কালো রঙ একাকার হয়। চমকায় ভয়ানক বিজলি। দিগন্তবিস্তারী তার গর্জন। আমাদের ঘরের টিন উড়িয়ে নিয়ে ঝুলিয়ে দেয় ডাবগাছের মাথায়। আকাশ কাঁপিয়ে ঝরে বৃষ্টি, পড়ে বড় বড় শিল। ভিজে জবজবা বইখাতা। বিছানাপত্র জলে থইথই। আহারে কষ্টের রাত। নির্ঘুম যাপনের রাত…

মনে পড়ে একবার নানাবাড়িতে সন্ধ্যার আগ দিয়ে উঠলো ভীষণ ঝড়। নানি, মামা, খালারা ছুটলো আমবাগানে। পিছে পিছে দৌড়ালাম আমি। জমির আইল দিয়ে দৌড়ানোর সময় ছিঁড়ল স্যান্ডেল। আম কুড়ানোর লোভে মাঠে ছুড়ে ফেলি চটি। ঝড় চিরে দে দৌড়। বিশাল আমের বাগান। লোকে-লোকারণ্য চত্বর। ধপাধপ পড়ছে আম। লোকজন দৌড়ে দৌড়ে কুড়িয়ে নিচ্ছে। বিশাল বিশাল গাছ। ঝড়ের ধুলো ও মেঘের কালোতে দেখাও মুশকিল। একটা বড়ো আম এসে পড়ল আমার পিঠের ওপর। মামা বলে দিলাম চিৎকার। আরেকটি এসে পড়ল মাথার ওপর। সামান্য দূরে ভেঙে পড়ল ডাল। খালা চেঁচিয়ে বলল, দূরে থাকো। একটি আমও কুড়োতে পারলাম না সেদিন। ঝড়ের দিনে আম কুড়ানোর সুখের বদলে জমিয়ে রাখলাম দুঃখ।

কিশোরকাল পেরিয়ে, মাঠ পেরিয়ে, ঝড় পেরিয়ে, ঝলমলে দিন পেরিয়ে এখন নিজের সংসার। টোনাটুনি-ছানার কুটির। সামান্য আয়ের ঘরে উৎসবের রং না ছড়ালেও আমরা রং মেখে থাকি। অপরের ঘরে উৎসবের রং ফেরাতে আমার রুমমেট গভীর রাত অবধি চালিয়ে যান সেলাইমেশিন।

কিশোরকাল পেরিয়ে, মাঠ পেরিয়ে, ঝড় পেরিয়ে, ঝলমলে দিন পেরিয়ে এখন নিজের সংসার। টোনাটুনি-ছানার কুটির। সামান্য আয়ের ঘরে উৎসবের রং না ছড়ালেও আমরা রং মেখে থাকি। অপরের ঘরে উৎসবের রং ফেরাতে আমার রুমমেট গভীর রাত অবধি চালিয়ে যান সেলাইমেশিন। ঘড়ঘড় শব্দ তুলে ঘোরে মেশিনের চাকা। ওঠানামা করে শিলার পা। নানা ডিজাইনের জামাকাপড়ে ভরে ওঠে ঘর। শিলা মেশিন চালাতে চালাতে মাঝে মাঝে খোঁজ নেয় আমার। বলে, মেশিনের শব্দে লেখার ক্ষতি হচ্ছে, তাই না? আমি বলি, তোমার মেশিনের রিদম আমার লেখায় এনে দেয় গতি। নব নব ইসক্রায় ভরে ওঠে আমার মনন। তুমি মেশিন চালাও, আমি লিখি। দেখি, লাল-নীল-শাদা-কালো-গোলাপি-বাঙ্গি-জলপাই রঙের সুতায় সেলাই হচ্ছে আনন্দ। আমার লেখার টেবিলে কন্যা সাজিয়ে রাখে পাঁচ পাপড়ির শাদা নয়নতারা ফুল। দিকভ্রান্তকালে গন্ধহীন শুভ্র এই ফুল দেখে আমার বাঁচার সাধ জাগে। ইচ্ছে হয় অনন্ত জীবনের সারাৎসারে নয়নতারা ফুল হয়ে ফুটি।

নিখিলমারির সময় ফিকে করে দিয়েছে উৎসবের রূপ। বোশেখের বহুবর্ণ মুখোশ রূপ পালটে মানুষের মুখে মুখে এখন। ঘরে ও বাইরে ভয়। সময় এখন হায়েনার। সময় এখন অ্যানাকোন্ডার। যেন মানুষকে গিলে খেতেই আনন্দ তার। পৃথিবী নামক গ্রহে তবু আসবে বোশেখ। হয়তো মানুষ থাকবে না। হয়তো থেকে যাবে কিছু মানুষ। ফুটবে নব নব প্রাণ। গাছপালা, পশুপাখি, মহা-প্রকৃতির ডানায় ছুঁয়ে যাবে বিশুদ্ধ বাতাস। কিন্তু এখন প্যান্ডামিকের পেন্ডুলামে ঝুলছে আমাদের প্রাণ। বিষাদের সুই এফোঁড়-ওফোঁড় করে সেলাই করছে ঠোঁট। মিলিয়ে যাচ্ছে হাসি। পিতলা পিরিতের কাল এখন নয়। আত্মা গ্রহণ করতে অপেক্ষা করছে মৃত্যুর ক্যারাভান। ঠাকুর, এই বোশেখে কোন অগ্নিস্নানে শুচি হবে আমাদের ধরা?

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

শামীম হোসেনের জন্ম পদ্মাপারের রাজশাহীতে, ১৯৮৩ সালের ৭ আগস্ট। এই কবি দুই দশকের অধিক সময় আত্মমগ্ন রয়েছেন কবিতাধ্যানে। এবছর প্রকাশিত হয়েছে তার কবিতাগ্রন্থ ‘হিম যন্ত্রাংশ’। পূর্বে প্রকাশিত কবিতাবইয়ের সংখ্যা ৬। তিনি ২০১৫ সালে ‘ধানের ধাত্রী’ গ্রন্থের জন্য কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ও ২০১৭ সালে ‘ডুমুরের আয়ু’ গ্রন্থের জন্য বিশাল বাংলা সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।