রবিবার, জুন ২৩

দরিয়ায় পাগলের ধ্বনি : শামীম হোসেন

0

Motif-01কবিতাকে হাওয়ায় আঁকা ছবি ভাবতে ভালো লাগে। যেন বাতাসের দোলায় রং ছাড়া খণ্ড খণ্ড ছবিগুলো ভেসে যাচ্ছে গভীর কোনো বার্তা নিয়ে। কী সেই বার্তা? রক্তের লাল রঙে প্রতিভাত জরায়ুগর্ভ থেকে তার ইশারা ছড়িয়ে দিচ্ছে সাদা পাতায়। মনোলোকে আপনাআপনিই ছড়িয়ে দেয় তার সমূহ রঙের তরিকা। শব্দপিপাসা খুঁজে নেয় তাকে প্রকাশে ডানার আধার। চিরচলমান এই ছবির দিকে তাকিয়ে গেঁথে নিতে হচ্ছে শব্দের গাঁথনি। দিতে হচ্ছে প্রাণ। কথার জাদু ভাষার পোশাকে হেঁটে যাচ্ছে দেশ থেকে মহাদেশ। মাতৃগর্ভের শিশুর মতো চুপ করে বসে অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেই সময়ের। যেন নিজের মধ্যে নিজেকে সেঁধিয়ে ধ্যানবাহনে চলছে অন্বেষণ। হাওয়ায় উৎসারিত সেই ছবিকণাগুলো ধরে এনে জমা রাখতে হচ্ছে জাদুর বয়ামে। এক শান্তসন্ধ্যাকে ধরতেই যেন কেটে যায় হাজার জনম। কসাইখানার রক্তস্রোতে ভেসে যেতে যেতে হারিয়ে ফেলতে হয় নিজের আকাশ। সেই আকাশের রং কি নীল? নীলে নীলে বিষ। দংশন। লক্ষ জংশন ঘুরে চলে সন্ধান। কার? কে জানে?

সাপের ফণার সামনে যে কপাল পেতে দেয় তাকে কবি মনে হয়। যন্ত্রণাদগ্ধ কোনো মন্ত্রণা ছাড়া টুকরো আর্শিই তার জীবন। বহুরৈখিক তার মুখ। সমগ্র পৃথিবীই তার দেশ। সুখ বেচে থকথকে বেদনা আহরণ তার নেশা। যেন কেন্নোর হাজার পায়ে তার হাঁটা। পলকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে এক মায়াবী কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে তার গমনাগমন। ম্যাজিক মাদুরে বসে সে করে রাজ্য শাসন। কাটাকাটি, রক্তবমি, ছিন্নভিন্ন ত্রাসন। কে চালায়? কবি? রূপে-অরূপে-স্বরূপে, কালে কালান্তরে কে দেবে সমাধান?

সমাধানের ঢেঁকিতে পা দিতে দিতেই হাওয়াবদলের রেখা ছড়িয়ে গেছে শরীরের শিরা-উপশিরায়। ক্রমেই একটা রেখা বহন করে চলেছে মানবমন। ভাষার শরণে তাকে ফুটিয়ে তুলতেই যত সাধনা। পরিভ্রমণের এইসব ছায়াছবি অনন্ত জলের নিকটে ভেসে যাবার প্রণোদনা পায়। তখন হাওয়ার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে কবিতা। লিখিত অবয়ব পায়। রংহীন ক্যানভাসে সে সূর্য ডেকে আনে। পাখি বসিয়ে দেয়। সবুজ গাছগাছালি মেলে ধরে ডালপালা। বোবা কাগজ ভাষা পায়। চিৎকার করে। কথা ছড়িয়ে দেয়। ছুরিকা আসে। তরমুজ খেত লাল হয়ে ওঠে। এই মাটি বিচিত্র শস্য উগরে দিলে বিস্মিত হতে হয়। কত রং, রস, সৌন্দর্য আমাদের মনকে ফালা ফালা করে দেয়। কবিতা কি ছুরি? হৃদয় কাটে?

হলুদ ভাষাশস্যে লালের অপেক্ষা করে। ধারালো ছুরিতে শরীর কেটে গেলে সেলাই করা যায়। কিন্তু কথার কিরিচে একবার হৃদয় কেটে গেলে থমকে যেতে হয়। দমে দমে সেই কথা আঘাত করে মৃত্যু অবধি। কবিতা কি উপশম? আরাম দেয়, মানবজীবনে? হাওয়া চলাচলের পথে কথারা ভিড় জমায়। মজমা বসায়। চিল্লাপাল্লা করে। থোকা থোকা বেদনা সাজিয়ে রাখে।

কথার কিরিচের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের আয়ু সরিষা খেতে বিষাদ ছড়িয়ে দেবার আগে হৃদয় পেতে দেয়। হলুদ ভাষাশস্যে লালের অপেক্ষা করে। ধারালো ছুরিতে শরীর কেটে গেলে সেলাই করা যায়। কিন্তু কথার কিরিচে একবার হৃদয় কেটে গেলে থমকে যেতে হয়। দমে দমে সেই কথা আঘাত করে মৃত্যু অবধি। কবিতা কি উপশম? আরাম দেয়, মানবজীবনে? হাওয়া চলাচলের পথে কথারা ভিড় জমায়। মজমা বসায়। চিল্লাপাল্লা করে। থোকা থোকা বেদনা সাজিয়ে রাখে। ফুসফুসে কুয়াশা মাখে। ঘাসফুলে দুলে দুলে সূর্য গড়িয়ে যায়। রাত আসে। অন্ধকার চরাচরে কেবল নীরবতা নেমে আসে। ঝাঁক ঝাঁক নীরবতা। মুকুরে মুকুরে সেই ছবি ভেসে ওঠে। মনে করিয়ে দেয় নিজের সামনে বসার। মুখোমুখি। অনন্ত থেকে উদ্ভাসিত অনূদিত ভাষাছবি স্বরূপে প্রতিভাত হয়। আলো-অন্ধকার মিলেমিশে থাকে। উথালপাতাল কথারা ছবিরূপে বন্দি হয়। চলাচল করে মনে মনে। রঙে রাঙিয়ে তোলে, বেদনায় কাবু করে, আনন্দে পুলক জাগায়। বিস্ফারে বিস্ফারে চোখ বিস্ফারিত হয়। কবিতা কোনো কাজে লাগে? দরিয়ায় পাগলের ধ্বনি কে শোনে?

যে ধ্বনি ভেসে আসে লক্ষ আলোকবর্ষ দূর থেকে তার জন্য আমাদের কান পেতে অপেক্ষা করতে হয়। যেভাবে শৈশবে রেলপাতে কান পেতে শোনা যেত ট্রেন আসার পূর্বাভাস। পৃথিবীর ক্যারিকেচারের অসংখ্য চিৎকার, যন্ত্রশব্দ, দূষণ, হত্যা, গুম, অতিমারি হাজারো শব্দের কারখানা থেকে কবিতার উজ্জীবন হতে পারে। দেখা, অতিবেক্ষণ, সংবেদ দিয়ে একটা মনকে প্রস্তুত করার জন্যই এই নিরন্তর কবিতাযাত্রা। কীভাবে কবিতা লিখিত হয়? কী তার জন্ম প্রক্রিয়া? থকথকে বেদনা, অতি উজ্জ্বল আনন্দ কিংবা নব নব অভিজ্ঞতা মনে ভ্রূণ আকারে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ দিন তার চলতে থাকে জাবর অনুযাত্রিক চলাচল। মনোব্রহ্মাণ্ডে পল মহাপল পরিভ্রমণ শেষে হয়তো কোনো শব্দ, বাক্য গঠিত হলেই সে গাইতে থাকে প্রসবকালীন গান। আলোমুক্তির ছটফটানি তাকে বাইরে নিয়ে আসে। কাগজের সাদা আকাশে চাঁদ কিংবা সূর্য রূপে প্রকাশিত হয়। ঝিমধরা শরীরে তখন শোনা যায় সমুদ্রের গর্জন। হিমালয় চুড়ো জয়ের আনন্দ তখন কবিহৃদয়ে অনুভূত হয়। পাগলের গোডাউন কি তখন বন্ধ থাকে? পাখিটুস দুপুর কি গড়িয়ে যায়?

রাতের গেরো ফসকে গেলে ভোর দৌড়ে আসে। পাখিকূজনে জাগে চরাচর, বসতি, মানবহৃদয়। আর মহামহিম সেই শূন্যতা জেগে ওঠে। হাহাকার ছড়িয়ে স্বর্গ-নরক একাকার করে। ছুট-ছুটন্ত পা নদী পেরিয়ে, মাঠ পেরিয়ে, গ্রাম পেরিয়ে, শহর ডিঙিয়ে ছুটতে থাকে। যেন একটা স্যাডলব্যাগ বহন করে অনন্তের দিকে তার যাত্রা। স্বপ্ন, বোধ, হতাশা, দুঃখ, খরা, পাখি, গাছ, আকাশ, হরিণ, মেঘ, বমি, রক্ত, ফুল, নদী হাজারো অনুষঙ্গ ব্যাগে পুরে হাঁটতে তার ক্লান্তি আসে না। পাগলের গোডাউন না ভরা পর্যন্ত তার এ উদয়াস্ত পরিশ্রম। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা, রাত্রি তার কোনো বিরাম নেই। সে চলমান।

মন কোমল না হলে তো কোনো বিদ্রোহও দানা বাঁধে না। সমস্ত দ্বিধা ও সংশয়কে দূরে সরিয়ে কবিতার সেই ছবিটুকুই আমাদের চোখের সামনে ভাসমান থাকে। ‘সমুদ্রের কিনার’ বললে আমাদের সামনে শুধু সমুদ্রের পাড় ভেসে আসে না। তার উথালপাতাল ঢেউ, গর্জন, জলের তলদেশের নুড়ি, ছত্রাক, মাছ, জলে ভাসা জাহাজ, নৌকা, জেলে, জাল সব কিছুই প্রতীয়মান হয়।

কবিতা পাঠের সময় মন কেমন করে? সে কি উচাটন হয়? দুঃখ-বেদনায় ডালিম ফাটার মতো নত হয়ে আসে, রূপ-রসে বিহ্বল হয়ে শান্ত নিথর আনন্দে কেঁপে ওঠে। কী হয়? একটা কবিতাকে নেড়েচেড়ে ছেনে চিবিয়ে কী বেরিয়ে আসে? ছোবড়া? কঙ্কাল? নাকি থলথলে মাংসল কোনো পিণ্ড? যা পাঠক মনে প্রেরণা হয়ে ওঠে। এত জিজ্ঞাসাচিহ্ন মনকে উতলা করে দেয়। বিপুল উতরোলের বাইরে কবিতার সেই উজালা রূপকেই হৃদয়ে শরণ দিতে ইচ্ছে হয়। মন কোমল না হলে তো কোনো বিদ্রোহও দানা বাঁধে না। সমস্ত দ্বিধা ও সংশয়কে দূরে সরিয়ে কবিতার সেই ছবিটুকুই আমাদের চোখের সামনে ভাসমান থাকে। ‘সমুদ্রের কিনার’ বললে আমাদের সামনে শুধু সমুদ্রের পাড় ভেসে আসে না। তার উথালপাতাল ঢেউ, গর্জন, জলের তলদেশের নুড়ি, ছত্রাক, মাছ, জলে ভাসা জাহাজ, নৌকা, জেলে, জাল সব কিছুই প্রতীয়মান হয়। শুধু ‘সমুদ্রের কিনার’ বললেই এত এত ছবি তাদের বিচিত্র রঙে, হরেক আকারে আমাদের সামনে হাজির হয়। আবার ‘বাঘ’ লিখলেও কিন্তু শুধু আমাদের চোখের সামনে বাঘ ভেসে ওঠে না। আসে বনজঙ্গল, খাঁচা, ডোরাকাটা দাগ। থাবার ভয়। একটা কবিতা হয়তো কাল-মহাকাল, আনন্দ-অশ্রু, কাম-প্রেম, রক্ত-পুঁজ, ধরা-অধরা, মর্ত্য-পাতাল পরিভ্রমণ করিয়ে নিয়ে আসে। পৃথিবীর আলো-অন্ধকার, বায়ু-জলোচ্ছ্বাস, পতন-উত্থান কবিতা ধারণ করে মানবের জীবনে জীবনে, জন্মে জন্মে। কবি কি ঋণী নন এই মহা-প্রকৃতির কাছে?

লেখার মুহূর্তে যেন এক উজ্জীবনের নদী হৃদমাজারে ছড়িয়ে দেয় উজালা রূপ। যে রূপ হাজারো ডানা মেলে তৈরি করে বোধের সেতু। নিজের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও অনুধ্যান একটা লেখা নির্মাণ করে। এই চলমান জীবনে হাঁটতে-চলতে অসংখ্য মানুষের জীবনাচরণ, তাদের হাসি-কান্না, দুঃখ-বেদনা, পালা-পার্বণ, আনন্দ-উচ্ছ্বাস, পরিবেশ-প্রতিবেশ প্রতিরূপে লেখার বিষয় হিসেবে আসে। মূলত নিজের জীবনকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যেতেই একজন কবি বা লেখকের এই অভিযাত্রা। ফলে লেখার রসদ হিসেবে যা কিছু আসে তা এই প্রকৃতি ও মানুষের নিকট থেকেই। জীবন অনুবাদেই যেন আয়ু ফুরিয়ে যায়। তাই হয়তো কবির যাত্রা অনন্তের দিকে। জীবনে-যৌবনে-লেখায় তৃপ্ত নয় সে। আর এই অতৃপ্তিই তাকে বসিয়ে রাখে লেখার টেবিলে। একগুচ্ছ নিঃসঙ্গ পায়রাকে আকাশে উড়িয়ে তার একা হয়ে যাওয়া। বোধের সুউচ্চ পাহাড়ে কেবল বাতাসের ঝাপটা সরিয়ে নিজেকে দেখা। বহু আমির প্রতিনিধি হয়ে ক্ষয় ও ক্ষরণের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে গৃহচিহ্ন ভুলে যাওয়া। অপরের বাড়িকে নিজের বাড়ি, অপরের দুঃখকে নিজের দুঃখ, অপরের আনন্দকে নিজের আনন্দে রূপান্তর করা। ফলে এই মহাপ্রকৃতির কাছে আজন্ম ঋণী থাকাই তার নিয়তি। আর এই নিয়তিই তাকে বাঁচিয়ে রাখে মানুষের মনে। অনন্তের নৌকায় কবির চির-চলাফেরা।

বিষাদ-বিষণ্নতার সাঁকো ডিঙিয়ে আলসেমির ঢেঁকিতে পা রেখে শিল্পের ধান ভাঙতে হয়। এই যাত্রা বড়োই পিছল। একবার পা হড়কে গেলে ঘুরে দাঁড়াতে সময়ের প্রয়োজন। বোধকে সচল রেখে মহানন্দে ভরে রাখতে হয় শস্যের গোলা।

‘সময় গেলে সাধন হবে না’ মহামতি লালনের এই পঙ্‌ক্তিকে স্মরণে রেখে কবিকে হাঁটতে হয় সমুদ্র-ঢেউ কবিতার জলের ভেতর। কখনো তলিয়ে গিয়ে ভুস করে ভেসে উঠতে হয়। সময়কে পাশ কাটিয়ে গেলে খরগোশ ও কচ্ছপের গল্পটিই আমাদের সামনে এসে হাজির হতে পারে। মাঝে মাঝে হয়তো কখনো আলসেমি পেয়ে বসে। বিষাদ-বিষণ্নতার সাঁকো ডিঙিয়ে আলসেমির ঢেঁকিতে পা রেখে শিল্পের ধান ভাঙতে হয়। এই যাত্রা বড়োই পিছল। একবার পা হড়কে গেলে ঘুরে দাঁড়াতে সময়ের প্রয়োজন। বোধকে সচল রেখে মহানন্দে ভরে রাখতে হয় শস্যের গোলা। নিজের সঙ্গে ছোট্ট একটি আয়না রাখলে পারলে ভালো। সেখানে কেবল নিজের প্রতিবিম্বই দেখা যায়। অথচ একটু চোখ বন্ধ করলেই খুলে যায় অপার জগৎ। অনন্ত সুধার সন্ধানে সুর অবগাহনে দুলে দুলে সঞ্চয়ে নিতে হয় পৃথিবীর বিপুল অভিজ্ঞতা। যা আমাদের মনের কোঠায় জমা হয়ে উগরে দেয় আরাধ্য লেখার। কবিতা কি হরিণ? তার গায়ে ভেসে ওঠে ডোরাকাটা দাগ?

পাগলের আঙুল কয়টি? তার চুল কি ঝাউগাছ? ধ্বনিপাথরে গুমরে মরা এক প্রজাপতির জীবন তাকে বয়ে যেতে হয়। সকল পাগলামিই যেন কবির নিকটে অনুপূরক বোধ বয়ে আনে। তার বিস্তারেই কেবল নিস্তার। অচেনা জংশনে শাটিকাপ মেরে বসে থাকা তার। প্রকৃত পাগল যেমন চুপ করে, ঝিম মেরে নাচিয়ে যায় চোখের মণি। খিস্তিধ্বনি ছড়িয়ে ভুলিয়ে রাখে নিজের বিগত রজনি। তার সখ্য ঘাসের সঙ্গে, গাছের সঙ্গে, শিশু ও পশুর সঙ্গে। ভণ্ডসমাজকে খিস্তি দিয়ে দূরে সরিয়ে রাখতে পারাটাই তার আনন্দ। পাগলের সুউচ্চ হাসি কাঁপিয়ে দেয় দশদিগন্ত। যেন তার হাসিকণা অঢেল দরিয়া ছাপিয়ে যায়। আর সেই হাসির ধ্বনির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ভেতরে পুষে রাখা বেদনা, আনন্দ, ক্ষোভ, কাম, কীর্তন, বাঁচামরা…

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

শামীম হোসেনের জন্ম পদ্মাপারের রাজশাহীতে, ১৯৮৩ সালের ৭ আগস্ট। এই কবি দুই দশকের অধিক সময় আত্মমগ্ন রয়েছেন কবিতাধ্যানে। সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতাগ্রন্থ ‘হিম যন্ত্রাংশ’। পূর্বে প্রকাশিত কবিতাবইয়ের সংখ্যা ৬। তিনি ২০১৫ সালে ‘ধানের ধাত্রী’ গ্রন্থের জন্য কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ও ২০১৭ সালে ‘ডুমুরের আয়ু’ গ্রন্থের জন্য বিশাল বাংলা সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।