বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৮

ফ্রেম : সুমন মজুমদার

0

শেষ কবে হরিপদ প্রাণ খুলে হা হা করে হেসেছিল তা ওর মনে নেই। প্যাঁচার মতো ওর গোমরামুখো মুখটাকে নিয়ে ওকে সবাই কী খ্যাপানোটাই না খ্যাপায়। ওর শালি তুলসি হরিপদর নাম দিয়েছিল রাম গরুরের ছানা। কী যে দুষ্টু ছিল মেয়েটা, সুযোগ পেলেই কানের কাছে এসে বিকট জোরে চিৎকার করে দৌড় দিত। তবে হরিপদকে যা বোঝার বুঝত একমাত্র শুভ্রা। সারা দিনের কর্মক্লান্তি শেষে যখন শরীরটা ঝিমিয়ে আসত, পিঠে জমত ঠান্ডা বরফের গেলাসের মতো ফোঁটা ফোঁটা ঘাম, তখন শুভ্রা পাতলা ভেজা গামছা এগিয়ে দিত ওর দিকে। তারপর দুই হাত মুখে রেখে কেমন আদুরে স্বরে হাসতে হাসতে বলত— কে মেরেছে কে বকেছে কে দিয়েছে গাল? এই যে বাবু সাহেব, চলো আজ আমরা প্রাণ খুলে হাসি। হরিপদর তখন মনে হতো, শুভ্রাকে সে পেছন থেকে আলতো করে জড়িয়ে ধরে। কানের পাশে মুখ নিয়ে বলে—তোমার এই হাসিটুকুই দাও না। আমি তো হাসতে পারি না, না হয় তোমার হাসিটুকুই ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখি। কিন্তু শুভ্রাকে হরিপদর কখনো এসব কথা বলা হয় না। কেমন যেন একটা আধো-সংকোচ আর লজ্জার মোড়কে জড়ানো থাকত ও। যদিও শুভ্রা সবসময়ই ওর কথা শুনে কেমন একটা অর্থপূর্ণভাবে হাসত। জবাবে কেবল মুখের পাশটাই সামান্য বেঁকে যেত হরিপদর, এর বেশি কিছু নয়।

একদিন ছুটির সন্ধ্যায় ব্লেড দিয়ে পেন্সিল কাটার সময় হঠাৎ কীভাবে যেন হাতটা কেটেই গেল। রক্তের টপটপ নেশায় যখন হরিপদ খানিকটা আচ্ছন্ন, তখন পারমিতা ভয় পেয়ে দৌড়ে এলো। এ কী! ভীষণ কেটেছে যে! আচ্ছা তোমার কি আক্কেল জ্ঞান নেই? এভাবে অসাবধান হয়ে নতুন ব্লেড দিয়ে কেউ পেন্সিল কাটে!

হরিপদ অপ্রস্তুত একটা ফ্যাকাশে হাসি হাসে। সেটা দেখে পারমিতা আরও খেপে যায়। চিৎকার, চেঁচামেচি, কান্নাকাটি, তারপর কাটা আঙুলে একটা পাতলা কাপড় পেঁচিয়ে দিতে দিতে বলে, কেন এত বেখেয়াল বলো তো? তোমার এই অপ্রস্তুত হাসিটার যদি একটা ছবি তুলে ফ্রেমে বাঁধিয়ে ঝুলিয়ে দিতে পারতাম, তাহলে শান্তি হতো। পারমিতার কাঁদো কাঁদো মুখ দেখে হরিপদর নিজেরও খারাপ লাগছিল। সত্যি, বড্ড পাগল মেয়েটা, একদম পাগল।

সেদিন চশমার দোকানের কথাই ধরা যাক না। চোখের ডাক্তার যখন হরিপদর সামনে ওর দৃষ্টির অবস্থা নিয়ে একগাদা বকবক করছিল; তখন ওর দৃষ্টি পড়েছিল পাশে পড়ে থাকা পত্রিকার পাতায়। রং ফর্সাকারী ক্রিমের পাশে আরেকটা ছোট্ট বিজ্ঞাপন। ‌‍এখানে নানা ধরনের নানান নকশার ফ্রেমে ছবি বাঁধাই করা হয়। নিচে দোকানের ঠিকানা দেওয়া।

প্রথমে স্টুডিওতে গিয়ে শুক্লার মোমের মতো নরম হাসিমাখা মুখের একটা ছবি তুলতে হবে। তারপর সেটা একটা বড়ো ফ্রেমে বাঁধাই করতে দেবে ওই দোকানে। আচ্ছা, কোন ফ্রেম পছন্দ শুক্লার! একদিন অবশ্য অন্যমনস্কভাবে বলছিল ছবি বাঁধাইয়ের কথা। রূপার পাতলা পাতে লতানো কাজ করা একটা ফ্রেম। ওই ফ্রেমে ঝুলছে অদ্ভুত হাসিমাখা একটা ছবি।

ডাক্তারের দৃষ্টি বিষয়ক উপদেশাবলীর মাঝেই হরিপদ ঠিক করল শুক্লাকে নিয়ে ও সেই দোকানে যাবে। প্রথমে স্টুডিওতে গিয়ে শুক্লার মোমের মতো নরম হাসিমাখা মুখের একটা ছবি তুলতে হবে। তারপর সেটা একটা বড়ো ফ্রেমে বাঁধাই করতে দেবে ওই দোকানে। আচ্ছা, কোন ফ্রেম পছন্দ শুক্লার! একদিন অবশ্য অন্যমনস্কভাবে বলছিল ছবি বাঁধাইয়ের কথা। রূপার পাতলা পাতে লতানো কাজ করা একটা ফ্রেম। ওই ফ্রেমে ঝুলছে অদ্ভুত হাসিমাখা একটা ছবি। কিন্তু, রূপার পাতে বাঁধানো ফ্রেম, সে তো অনেক দামি! অবশ্য দাম না হয় একটু হলোই। দু-তিন মাস একটু কষ্ট করলেই টাকাটা জমে যাবে।

ডাক্তারের কথায় হরিপদর হঠাৎ সম্বিত ফেরে। ছি ছি, কী লজ্জার বিষয়, কোথায় যে হারিয়ে গিয়েছিল! তবে সোনার কাজ করা ফ্রেমের বিষয়টা যেন ওর মাথায় একবারে বসত গড়ে তুলেছে। ডাক্তার বলে দিয়েছে, হরিপদর চোখের অবস্থা বেশি ভালো নয়। এবার চশমা না নিলে আর চলছে না কোনোভাবে।

ডাক্তারখানা থেকে বেরিয়ে হরিপদ হাঁটে। কী চিন্তা করে, কোথা থেকে চিন্তা করে কিছুই গুছিয়ে উঠতে পারে না। শুধু অন্যমনস্কভাবে সে হাঁটে। হঠাৎ একটা পাথরে হোঁচট খেয়ে ডান পায়ের বুড়ো আঙুলের নখ উঠে যাওয়ার উপক্রম। নখ ওঠেনি, তবে খানিকটা ভেঙে রক্ত বের হয়। ব্যথায় সাময়িক ঠোঁট কামড়ে চোখ বোজে হরিপদ। কিন্তু এ কি, ব্যাথটা যেন আর অনুভব হয় না। উলটো মনে হয়, ওর ক্যাবলামির ফল দেখে শুভ্রা হাসছে, শুক্লা বলছে…

চশমার দোকানের মেয়েটার চেহারা যেন কেমন। হরিপদর মনে হচ্ছে, একটা সন্দেহজনক সাদা ইঁদুর কুটকুট করে কেটে চলেছে ওর মনোযোগের সুতো। আচ্ছা, কেন মেয়েটা সম্পর্কে এমন ভাবছে সে! গায়ের রংটা ফর্সা হওয়াই কি দোষ! কত কালো মেয়ে ফর্সা হওয়ার জন্য এটা সেটা মেখে জান লাগিয়ে দেয়। শুভ্রা নাকি শুক্লা! হ্যাঁ শুক্লাই হবে, একবার মুখের মধ্যে খয়েরি রঙের কী একটা মেখে হরিপদর সামনে এসেছিল। জিজ্ঞেস করতেই বলেছিল, আসলে সে চামড়াটাকে একটু সাদা করতে চায়। সাদা চামড়া হওয়ার নাকি অনেক সুবিধা। মুখের গড়ন ভাঙাচোরা হলেও লোকে শুধু চামড়ার গুণে তাকে সুন্দর বলে। কিন্তু হরিপদ তো সেটা চায় না। শুভ্রা বরং যেমন দেখতে তেমনই সুন্দর। অদ্ভুত মায়া মাখা। একটা ঝিরঝিরে দিঘীর জলে হিজলের ছায়া পড়লে যেমন যেমন দেখায় তেমন। কী দরকার জোর করে সাদা হওয়ার!

হঠাৎ হরিপদর অন্যমনস্কতা কেটে যায়। আসলে চোখের সামনে হাসি হাসি মুখ করে দোকানের মেয়েটা ততক্ষণে মেলে ধরেছে অসংখ্য ফ্রেম। কোনটা নেবেন স্যার, রিমলেস নাকি একটু মর্ডান? আমার মনে হয় আপনাকে কালো ফ্রেমের চশমাতে বেশ মানাবে। হরিপদ কেমন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। সে নিস্পৃহ স্বরে জিজ্ঞেস করে—রূপার পাতে কাজ করা ফ্রেম আছে?

মেয়েটা ওকে পাগল ঠাউরে ছিল কি না কে জানে, তবে সেই থেকে হরিপদর চোখে একটা কালো ফ্রেমের চশমা লাগল। ওটা ওর সদা গম্ভীর মুখটাকে করে তুলল আরও রাশভারি। ঘরে ফিরতেই শুভ্রা দেখে তো হেসেই খুন। ওমা, তোমাকে পুরো মাস্টার মশাইয়ের মতো লাগছে! ওর এই হাসিটা হরিপদর বড্ড ভালো লাগে। কেমন যেন জলতরঙ্গের মতো। মনে হয় ডুব দিয়ে স্নান করা যায় ওই জলে। শুভ্রা ওকে জড়িয়ে ধরে বলে­, এবার বাবুর একটা ছবি তুলতেই হবে। চশমা পড়া ফুল বাবু। হরিপদ ওর হাত ধরে বলেছিল, তোমার যদি একটা ছবি তুলি কেমন হয় বলো তো? তারপর রূপার লতানো কাজ করা ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখব। শুভ্রা ওর কথা শুনে হেসেছিল আর কেবলই হেসেছিল। অথচ শুভ্রার ঠোঁটের কোণে ছোট্ট একটা দুঃখবোধ ঠিকই দেখতে পায় হরিপদ। কীসের দুঃখ, কেন শুভ্রা?

পরের দিন শহরের কালঘাম ঠেলে হরিপদ এসে দাঁড়িয়েছিল ওই ছবি বাঁধাইয়ের দোকানের সামনে। নানা আকারের নানা রঙের ফ্রেম সাঁজানো চারদিক। একটা লোহার ফ্রেমে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বম্বে সিনেমার এক নায়িকার বড়ো ছবি। পাশে দেওয়ালে রং দিয়ে লেখা—এখানে ফ্রেমে ছবি বাঁধাই করা হয়। হরিপদ দোকানের লোকটিকে বলে—একটা ছবি বাঁধাই করতে চাই, অনেক বড়ো।

হ্যাঁ স্যার অবশ্যই, কী ফ্রেমে বাঁধাই করবেন পছন্দ করুন। মেটাল, উড নাকি প্লাস্টিক? দোকানদারের মুখে চকচকে হাসি। যেন সে কল্পনার চোখে দেখতে পাচ্ছে দারুণ একটা ফ্রেম।

রূপার কাজ করা কালো কাঠের ফ্রেম আছে, লতানো কাজ? দোকানদার হরিপদর বেশভূষার সঙ্গে কথার ওজন মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করছিল। একটু খটকা লাগায় কেবল মুখই ভ্যাংচাল। ছবিটা এনেছেন?

হরিপদর মনে হলো, সত্যিই তো, ছবিই তো আনা হয়নি। প্রথমে পারমিতার একটা বড়ো ছবি তুলতে হবে। একবারে সামনে থেকে, যেন ওর চোখের তারাটা স্পষ্ট বোঝা যায়। হরিপদ খেয়াল করেছে, পারমিতা যখন হাসে তখন ওটা ওর চোখেও খেলে যায়। সেটা দেখতে বড্ড ভালো লাগে। বাসায় ফিরতেই ওর মুখটা দেখে হরিপদর কেমন মায়া মায়া লাগতে লাগল। মেয়েটা এত আদুরে! পারমিতাকে নিয়ে ও জোর করে বসাল আয়নার সামনে। শোন, আজ তোমার একটা ছবি তুলব। খোলা চুল আর কপালে টিপ। পারমিতার সে কী আপত্তি! কোনোভাবেই ও ছবি তুলতে চায় না। মেয়েগুলো যেন কেমন, মুখে আলাদা রং-চঙ না মাখলে বুঝি ছবি তোলা যায় না! পারমতিা তুমি যেমন, তেমনই সুন্দর। একটা ছবি তুলতেই হবে। মুখে তোমার মোহিনী হাসিটা যেন থাকে। একটা রূপার কাজ করা কালো কাঠের ফ্রেমে সেটা বাঁধিয়ে রাখব।

সেদিন রাতে হরিপদ ঘুমিয়ে গেলে পারমিতা লুকিয়ে লুকিয়ে কী কান্নাটাই না কেঁদেছিল। কেউ জানে না, কেউ দেখেনি, সাক্ষী কেবল নিস্তব্ধতা। সকালে শুক্লা যখন হরিপদকে বলল—ছবিটা কি না বাঁধালেই নয়? তখন ও একবাক্যে নাকচ করে দেয় কথাটা। ছবি বাঁধাতেই হবে। আচ্ছা তুমি কি চাও না যে আমার দেওয়ালে তোমার উচ্ছ্বল হাসির একটা বড়ো ছেবি থাকুক। কখনো বাইরে খুব ঝড় এলে, যখন উড়ো ধুলোয় রাস্তা হয়ে যাবে ধোঁয়াশা। তখন আসন্ন বৃষ্টির গান গাইতে গাইতে আমি তোমার ছবি দেখব। আমার চারপাশের ক্লিষ্টতা, অবসন্নতা আর বিষণ্নতার কাঁটাঝোপ ভর্তি। আমি তোমার এই ছবি থেকে হাসি ধার নেব।

শুক্লা কোনো কথা বলেনি, কেবল দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ছেড়ে হরিপদর দিকে তাকিয়ে কেমন দুঃখভরা হাসি হেসে বলেছিল—যদি আমি কোনো দিন না থাকি?

পারমিতা ওর অসাবধানতার জন্য বারবার বকা দেয়। তারপর মিষ্টি হাসি হেসে বলে একটু সাবধানী হতে পারো না! শুক্লা পেছন থেকে হরিপদকে জড়িয়ে ধরে রাখে—কেন এমন করো বল তো, কেন?

রূপার লতানো কাজ করা কালো কাঠের ফ্রেম? অনেক দাম পড়বে, নেবেন? সে পড়ুক, তবু সেটা হরিপদর চাই। মাসের পর মাস একটু একটু করে যখন জমে উঠছে টাকা, তখন সে ঘরের সাদা চুনকাম করা দেওয়ালটার দিকে তাকিয়ে ওখানে একটা নকশা করা ফ্রেমে হাসিমাখা মুখের ছবি ঝুলানোর আশায় বিভোর হয়ে যায়। কখনো কখনো গভীর রাতের নিরবতাকে ফুৎকারে সরিয়ে সাদা দেওয়ালটাতে হাঁতুড়ি দিয়ে পেরেক ঠোকে। প্রতিবেশীরা বিরক্ত হয়, কখনো গালমন্দ করে। অথচ হরিপদর বিকার নেই। সময় যায়, দেওয়ালের চুনকাম মলিন হয়, অথচ হরিপদর চুলের চুনকাম বাড়ে। কালো ফ্রেমের চশমায় ওর এখন আর কুলোয় না। হাঁতুড়ির আঘাত কখনো কখনো পেরেকে না লেগে হাতে এসে লাগে। আঙুল থেতলে রক্ত বেরোয়। শুভ্রা ওর বোকামি দেখে কেমন কৌতুক মেশানো হাসি হেসে দাঁড়িয়ে থাকে। পারমিতা ওর অসাবধানতার জন্য বারবার বকা দেয়। তারপর মিষ্টি হাসি হেসে বলে একটু সাবধানী হতে পারো না! শুক্লা পেছন থেকে হরিপদকে জড়িয়ে ধরে রাখে—কেন এমন করো বল তো, কেন?

অতঃপর একদিন চাঁদ জোছনায় ঘর ভেসে যায়। জীবনানন্দ তার বিছানায় শুয়ে কাব্যমন্ত্র পড়েন—ওইদিকে শোনা যায় সমুদ্রের স্বর, স্কাইলাইট মাথার উপর, আকাশে পাখিরা কথা কয় পরস্পর। আর ঘরের সাদা দেওয়ালে ঝোলে রূপার পাতে লতানো কাজ করা একটা কালো কাঠের শূন্য ফ্রেম। তার নিচে জ্বলে তিনটে তিন রঙের মোমবাতি। অথচ কী আশ্চর্য, দূর থেকে তিনটি শিখাকে দেখে একই মনে হয়। হরিপদর জানালা দিয়ে দীর্ঘশ্বাসের মতো মৃদু বাতাস আসে। বাতাসে মোমের শিখাগুলো ওর জীবনের মতোই নিভু নিভু করে।

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

জন্ম ১৯৮২ সালে। গ্রামের বাড়ি ভোলা হলেও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। বাবা অমৃত মজুমদার ও মা ঝর্ণা মজুমদার। স্কুল জীবন কেটেছে শেরে বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরপর সরকারি বাঙলা কলেজ হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক। বর্তমানে কর্মরত ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিকে জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক হিসেবে। সক্রিয় থিয়েটার গ্রুপ অনুস্বরের সঙ্গে। বিভিন্ন পত্রিকা ও লিটলম্যাগে লেখালেখি করে কাটে সময়। বই আকারে বেরিয়েছে উপন্যাস ‌'রাইমঙ্গল'। স্ত্রী হেনা মজুমদার ও দুই মেয়ে সুকন্যা আর সুকৃতিকে নিয়ে চলছে জীবন।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।