বৃহস্পতিবার, মে ৩০

টোকন ঠাকুরের ধারাবাহিক : জার্নি অব কাঁটা : পর্ব ২৪

0

সেই পাঁচমোড়া পাহাড়ের তলায় শ্যামলী নদীর ধারে, যেখানে রোজ গয়লাবাড়ির মেয়েরা কলসি কাঁখে জল আনতে যায়, সেখানে যেতে চায় অমল! অমলকে আমরা ছোটোবেলা থেকেই চিনতাম। অমলের অসুখ ছিল, অসুখ কি জ্বর? না, কাঁটা শুট করতে আমরা পাঁচমোড়া পাহাড়ের তলায় যাইনি। সেখানে যে নদীটা ছিল, তা শ্যামলী নয়, পদ্মা। আমরা পদ্মা নদীর একটি শাখায় শুটিং করতে গেছি। হ্যাঁ, আমাদের কিছু মেয়ের পেতলের কলসি কাঁখে নদী থেকে জল ভরা শট ছিল। হঠাৎ তাকিয়ে দেখি, গ্রামের মেয়েরাও নদী থেকে জল নিয়ে যাচ্ছে কলসিতে, তাদের কাঁখে সিলভারের কলসি। লোকালয় থেকে দূরে এসেছে তারা জল নিতে, কেন? ঠিক লোকালয়ও বলা যায় না, বিচ্ছিন্ন একেকটা বাড়ি দেখা যায় নদীর চরে, সেই চর-বসতির বাড়ি থেকে এসেছে মেয়েরা। নদীতে নাইতে এসেছে। স্নান শেষে এক কলস জল নিয়ে তারা চলে যাচ্ছে বালুচরের ভেতর দিয়ে। হয়তো দেড়-দুই কিলো দূরে একেকজনের বাড়ি। হয়তো আরও দূরের কোনো গ্রাম থেকে তারা এসে এই চরের বালিতে বাড়ি বানিয়েছে। বিস্তীর্ণ চর। একবার মনে হয়, আচ্ছা, একদিন আমি কি ওরকম কোনো চর-বসতির বাড়ি থেকে এসেছি? আমার মা কি ওরকম জল আনতে যেত, নদীতে কলস নিয়ে? মায়ের সখিরা কি সঙ্গে থাকত? এখন যদি থাকতাম ওখানে, আমি কি চরের খেত-জমিতে কাজ করতাম সারা দিন? এবং আমার বউ থাকত, আমার বউ কি আজ ওরকম দল বেঁধে নাইতে যেত? আর ঢাকা থেকে আগত কোনো ছবির শুটিং পাট্টির লোকেরা কি আমার বউয়ের ছবি তুলে নিত? সেই শুটিং পাট্টির সিনেমার নাম কী হতো? জানা নেই আমার। তবে আমাদের ছবির নাম, কাঁটা। কাঁটা শুটিংয়েই গেছি মুন্সিগঞ্জে, জায়গাটির নাম কি হলদিয়া? নাকি মালির অঙ্ক বাজার? মালির অঙ্ক আবার কেমন নাম?


p 24. 3

চরের বাসিন্দা মেয়েরা কলসি কাঁখে নদী থেকে জল নিয়ে যায়


মালির অঙ্ক বাজারের পাশে আমাদের ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া বিআরটিসির বাস থামল। কাঁটা ছবিতে বিআরটিসি বাসের আগের ভার্সন ইপিআরটিসির একটি বাস ঢুকেছে। সেটি পুরান ঢাকার রথখোলার রাস্তায়। ভোর পাঁচটায় ঢাকা ছেড়েছে বাস। সকাল সাড়ে আটটার সময় আমরা এসে পৌঁছলাম নদীপাড়ে। বাস থেকে সবাই নেমে পড়ে ঝটপট, কারণ, আমাদের নদীর ওপারে যেতে হবে। কাঁটার অভিনেত্রী শিখা কর্মকারের পায়ে একটি পেরেক ঢুকে গেছে, তিনি আমাকে বলেননি। রক্ত ঝরছে। পরে যখন জানলাম, ‘বললেন না কেন শিখা’দি?’

‘বললে শট কাটা যেত।’ শিখা কর্মকার বললেন। সত্যি তাই, অনেকটা পথ হেঁটে যাওয়ার শট, পাত্রপাত্রী অনেক। একজনের জন্য শট কাটা গেলে আমার কি রাগ হতো? রাগ হবে কেন? পা দিয়ে তো রক্ত ঝরছিল শিখা’দির। বাস ভর্তি করে গেছি আমরা প্রায় পঞ্চান্ন জন। সারা দিন শুট করে রাতে ফিরতে হবে ঢাকায়। টিমে আছে নারী পুরুষ, শিশু। আছে টেকনিক্যাল টিম। কিন্তু বাস থেকে নামতেই নাজমা আপা কী বললেন? ‘টোকন, এখানে বাথরুম কোথায়?’

‘আচ্ছা, দেখছি।’


p 24. 7

বি আর টি সি’র বাস ভাড়া করে আমরা মুনসিগঞ্জে যাই


অর্থাৎ সেই সকালে নদীপাড়ে কোথায় বাথরুম, আমার কাজ সেটি খুঁজে বের করা। বললাম, ‘নাজমা আপা, বাথরুম যে কোথায় তা তো আমি জানি না। প্রোডাকশনের লোকেরা একটা ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। নাজমা আপা খানিকটা রেগে গেলেন। আমি জানি, নিয়মিত অভিনেত্রী হলে তিনি রাগতেন না। যেমন, শিখা কর্মকার এরকম পরিস্থিতিতে রাগবেন না। কারণ, তিনি জানেন, এরকম আউটডোরে বাস থেকে নেমেই বাথরুম প্রয়োজন হতেই পারে, কিন্তু সেটি খুঁজে বের করার একটা সময় লাগবে। আমরা তো কোনো দিন আগে যাইনি—এমন জায়গাতেই গেছি। বাস দাঁড়িয়েছে নদীপাড়ে একটি খালি জায়গায়। নাজমা আপা পেইন্টার। চারুকলায় আমাদের বেশ কিছুটা সিনিয়র তিনি। সম্ভবত শিশির ভট্টাচার্যদের ক্লাসমেট তিনি। নাজমা আপার স্বামী মিজান স্যার তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যাঞ্চেলর। খুবই হাসিখুশি মানুষ নাজমা আপা। অনেকটা শখের বসেই তিনি কাঁটাতে অভিনয় করছেন। যাই হোক, স্থানীয় একটি পুলিশ ফাঁড়িতে নাজমা আপাকে কেউ নিয়ে গেল। বাকি মহিলাদেরও বাথরুম করার জন্য সেই পুলিশ ফাঁড়িতেই যেতে হলো। তারপর আমরা নৌকায় উঠি এবং নদীর ওপারে যাই।


p 24. 5

একদিকে পাকিস্তানি ফৌজ, অন্যদিকে ভূতের গলির মহল্লাবাসি


শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কী বিচিত্র হয়! বিশেষ করে আউটডোর হলে অভিজ্ঞতা কিছুটা বেশিই জমে যায়। এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখিও হতে হয়, যা আমরা কখনো ভাবিনি। সত্যজিৎ রায়ের একটি বইয়ের নাম মনে পড়ল, ‘একেই বলে শুটিং।’ মুন্সিগঞ্জের কাজ শেষে সন্ধ্যায় আমরা ফুটিং। ঢাকায় ফেরার গান সবার মুখে, চোখে অনেক ক্লান্তি। যদিও ক্লান্তি দেখানোর এক ইঞ্চি জায়গাও নেই শুটিংয়ে। কারণ, কাল আমাদের পুরান ঢাকায় সারা দিন শুটিংয়ের শিডিউল করা আছে। মাওলানা আবু বকরের বাড়ির বাইরের উঠোনে শুট হবে। সেখানে রাজাকারদের দেখা যাবে। কুলসুমকে দেখা যাবে। কুলসুম সেই যুবতী, যার যৌবন ঢলে পড়ছে। যুদ্ধের মধ্যেও যার কোনো ভয়-ডর নেই। কিন্তু ভূতের গলির বাসিন্দা আলী আকবরের বাড়ির কাজের মেয়ে কুলসুম জানত না, ‘পুরুষ মানুষ নিয়া খেলন যায় কিন্তু রাজাকার নিয়া খেলন যাওয়া অত ছোজা না।’


p 24. 6

দেশাল-এর শাড়িতে কারা হেঁটে যাচ্ছে?


পাকিস্তানি সেনাদের দল ভূতের গলিতে আসে। তারা মহল্লার একচল্লিশ জন মানুষকে আটকে ফেলে। জনে জনে তারা মুসলমান পরীক্ষায় নিজেদের উঁত্তীর্ণ করতে কলেমা তৈয়ব মুখস্ত বলে। সেই জন্য এক বিরাট অভিনেতা দল নিয়ে কাজ করতে হলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অফিসিয়ালি প্রস্তাব করি পাকিস্থানি সেনা চরিত্র করার জন্য। তারা বলেন, আমরা বাংলাদেশী সেনা হতে পারব, পাকিস্তানি হতে পারব না। বললাম, ‘একাত্তর সালে তো ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সেনারা ভূতের গলিতে ঢুকতে পারবে না। বাস্তবতা সেটা ছিল না। তবু তারা সম্মত না হলে আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ছাত্রদের একটা দল নিলাম। ছাত্রী বিএনসিসি দলও এলো কিন্তু আমাদের তো ছাত্রী সেনা লাগবে না। মেয়ে বিএনসিসির মেয়েরা কাঁটাতে কাজ করতে চাচ্ছিল। কিন্তু চিত্রনাট্যে সে জায়গা নেই। কিন্তু ছেলেরা থাকল। প্রায় পঁচিশ জন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিএনসিসি থেকে আমরা কয়েকটা তাঁবু এনেছিলাম নারিন্দায়। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং টিমও আনা হলো। জগন্নাথের বিএনসিসি ছাত্রদের প্রাথমিক ট্রেনিং দিতে এসেছিলেন তারা। যুদ্ধের ভেতরে থাকা সৈনিকদের মুড একটা ফ্যাক্টর। তাদের গতিবিধিও ফ্যাক্টর। ফাইনালি, আমার কাজ আমাকেই করতে হবে। আমি জগন্নাথের ছাত্রদের নিয়ে মুক্তি খেলাঘর আসরের মাঠে নামলাম। নামলাম মানে শুটিংয়ে নামলাম। কিছু অংশ আমরা করেছি মিল ব্যারাকের আশপাশে। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্‌ থেকে পুরোনো একটি জিপ ও একটি কনভয় আনা হলো। চাইনিজ রাইফেল লেগেছে পনেরোটা, থ্রি নট থ্রিও ব্যবহার করেছি ৩টা।

বুটিক হাউস ‘দেশাল’ আমাকে কাঁটার জন্য শাড়ি দিয়েছিল। ২১৩টা শাড়ি। সেই শাড়ি নানানভাবে কাঁটাতে ব্যবহার করা হয়েছে। হয়তো মেয়েদের গায়ে সেই শাড়ি দিয়ে আমি রংধনু তৈরি করতে উৎসাহী ছিলাম। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা দলকে সেই রংধনুতে ব্যবহার করেছি। তারাই হয়তো কলসি ভরে জল নিয়ে যায়। তারা কোথায় যায়? তারা নদীর দিকে যায়। নদী তাদের ডেকে নিয়ে যায়। নদীতে কি তখন সুবোধের বউ স্বপ্না রানী দাস স্নান করছিল?


p 24. 8

সিনেমাটোগ্রাফার রোমান, স্বপ্না রানী দাস ও কুলসুমের সঙ্গে


আজিজ ব্যাপারীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হয়ে বাস করছিল সুবোধ ও স্বপ্না। একই ঘরে তিন সময়ের তিন দম্পতির বসবাসের সেট রেডি করতে হতো কাঁটা টিমকে। সারা দিন এক সেট, একই ঘরে রাতে হয়তো আরেক সেট। শীত রাতে, যখন সবার শরীরে উষ্ণ পোশাক, চাদর বা জ্যাকেট, সেই অবস্থায় আমার গা ঘামত। এটাই মাতৃত্বের চাপ। একটি ছবি, তাও আবার বাংলাদেশের বাস্তবতায় পিরিওডিক্যাল ছবি বানানো খুব কষ্টকর। পিরিওডিক্যাল এভিডেন্স প্রচুর। ইতোপূর্বের সে ছবিগুলো বারবার দেখেছি। একটা চ্যালেঞ্জ আমি অনুভব করেছি এভিডেন্সের প্রশ্নে। ১৯৮৯-৯০ সাল আমি দেখেছি। সেটি ছবির একটি অংশ। কিন্তু ১৯৭১ সাল ও ১৯৬৪ সাল আমি দেখিনি। সেই না দেখা সময় নির্মাণে একটা বিরাট ঝুঁকি আমাদের জন্য, কাঁটা টিমের জন্য, বুঝতাম। চাপ দিতাম।


p 19. 2

সুবোধচন্দ্র দাসকে হত্যা করবার প্রস্তুতি


এক সুবোধ বউ স্বপ্নাকে নিয়ে ঢাকা ছেড়ে পালাতে চেয়েও পারেনি। আরেক সুবোধকে হত্যা করবার জন্য মহল্লার দুষ্টু ছেলেরা রেডি। মরবার জন্য সুবোধও রেডি। শুটিং চলছে। আমরা হত্যা করছি, আমরা হত্যা হচ্ছি। সেই কতকাল আগে থেকে মানুষের এই হত্যার হোলিখেলা চলছে। তাহলে যে বলা হয়, মানুষ শ্রেষ্ঠ প্রাণী! কীভাবে?

কাঁটা দেখতে হবে। এ সব আমরা কাঁটাতে ধরেছি।


p 22. 11

সুবোধচন্দ্র দাস ও নয়নতারা | ফটোগ্রাফি: টোকন ঠাকুর


আর জার্নি অব কাঁটা এখন থেকে টেক্সট কমে আসবে। এই পর্ব থেকেই লেখা কমে যাচ্ছে, লক্ষণীয়। পোস্ট প্রোডাকশন কার্যক্রমের চাপে আমার লেখার সময় কমে গেছে। সময় কম পেলেও লেখা চলবে। ৩৬ পর্ব পর্যন্ত আমাদের গন্তব্য হতে পারে। আর ১২ পর্বে টেক্সট জার্নি শেষ করতে হবে! কেন না, ছবি রিলিজের আগেই তো শেষ করতে হবে এই লেখা, তাই না? জানি, অনেক অপেক্ষা আছে অনেকের, কাঁটা দেখার জন্য। তাদের জন্য আমার সালাম, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা রাখছি। আগামী পর্বে দেখা হবে, সেই সম্ভাবনা জারি রেখে আপাতত এখন আমি কি-বোর্ড থেকে উঠছি। পড়ছেন তো এই জার্নি? কেমন লাগছে? আপনাদের মতামত জানার সুযোগ পেলে আমার কি আরেকটু ভালো লাগত না? মতামত দিয়েন বন্ধুরা। মতামত তো পুরোনো শব্দ, নতুন শব্দ হচ্ছে কমেন্ট। কমেন্ট দিয়েন। আপনার সঙ্গে যোগাযোগ হবে। যোগাযোগের জন্যই তো এই জার্নি। আবুল হাসানের কবিতার একটি বাক্য তুলে দিয়েই এখন উঠে পড়ছি, বাক্যটা হচ্ছে, ‘এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া।’


আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ১ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ২য় পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৩য় পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৪র্থ পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৫ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৬ষ্ঠ পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৭ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৮ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ৯ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা ১০ম পর্ব
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১১
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১২
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৩
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৪
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৫
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৬
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৭
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৮
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ১৯
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ২০
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ২১
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ২২
আরও পড়ুন : জার্নি অব কাঁটা পর্ব ২৩


কাঁটা প্রোডাকশন ফটোগ্রাফি : হোসেইন আতাহার

শেয়ার করুন

লেখক পরিচিতি

জন্ম ১ ডিসেম্বর, ১৯৭২, ঝিনাইদহ। বেড়ে ওঠা, বসবাস:  ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, খুলনা ও ঢাকা। একাডেমিক (সর্বশেষ) পড়ালেখা: চারুকলা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রন্থ প্রকাশনা: কবিতার বই কয়েকটি, গদ্যের বই কয়েকটি। সম্পাদিত গ্রন্থ: ২টি। ছবি নির্মাণ: ‘ব্ল্যাকআউট’ (২০০৬) আনরিলিজড। ‘রাজপুত্তুর’ (২০১৪), ‘কাঁটা’ (২০২৩) । পেশা: আর্ট-কালচার চষে বেড়ানো।

error: আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় ।