আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারটির কাজ বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা চিহ্নিত করা। সেই পিলারকে কেন্দ্র করে, জৈষ্ঠ্য মাসের তপ্ত রোদে, বছর ষাটেকের এক বৃদ্ধ এক চরম দুর্গতির মুখে পড়েছেন। খাবার নেই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। দুই দেশের কেউ তাকে নিজের নাগরিক বলে স্বীকার করতে রাজি নয়। তিনি যেন এক রাষ্ট্রহীন মানব। পৃথিবীর কোনো স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডে তার জায়গা হতে পারে না।
এই ঘটনার সূত্রপাত গেল মঙ্গলবার, ৯ জুন রাতে। জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর-রামরামপুর সীমান্তে মানুষটি আটকে ছিলেন এই অদ্ভুত বন্দিদশায়। ফাঁদে আটকে পড়া ইঁদুরও বুঝি তার চেয়ে বেশি ভাগ্যবান। তার এক দিকে বিএসএফের তাক করা রাইফেল, অন্য দিকে বিজিবির কড়া নজরদারি। দুই বাহিনী যেন ফুটবলের মতো তাকে পাস করে যাচ্ছিল; একবার এপারে, একবার ওপারে।
এভাবেই কেটে গেছে বেশ একটা লম্বা সময়। ক্ষুধা যেন মানুষটির প্রতিটি মুহূর্তকে আরও দীর্ঘ, আরও নির্মম করে তুলছিল। তবে দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার ফাঁকফোকরেই মানবতার সামান্য ছাপ রাখতে ভোলেননি বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা গ্রামের মানুষজন। বিজিবির নজর এড়ানোর সুযোগ পেলেই তারা অদৃশ্য সেই সীমারেখার ওপারে তার জন্য পৌঁছে দিয়েছেন পানি আর শুকনো খাবার। এভাবেই তিনি ‘টিকে’ ছিলেন। বুধবার, ১০ জুন সন্ধ্যা পর্যন্তও, ওই জায়গাতেই তাকে দেখা গেছে।
এমন এক ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিল্প-সাহিত্যের আলাপ তোলা হয়তোবা অনেকের কাছেই অমানবিক লাগতে পারে। কারণ ওই মানুষটি যে গভীর যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, তা আমাদের কল্পনারও অতীত। মানবিক নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত রূপ যদি কোনো কিছুর মধ্যে ধরা পড়ে, তবে সম্ভবত এ ঘটনাতেই।
এমন এক ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিল্প-সাহিত্যের আলাপ তোলা হয়তোবা অনেকের কাছেই অমানবিক লাগতে পারে। কারণ ওই মানুষটি যে গভীর যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, তা আমাদের কল্পনারও অতীত। মানবিক নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত রূপ যদি কোনো কিছুর মধ্যে ধরা পড়ে, তবে সম্ভবত এ ঘটনাতেই। আর প্যারাডক্সিক্যালি, ঠিক সেই কারণেই, আজ এই কথাটি বলার প্রয়োজন বোধ করছি: একদিন এই মানুষটিকে নিয়ে একটি সিনেমা বানানো উচিত, অনেকটা ‘দ্য টার্মিনাল’-এর মতো।
শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে। তাই ব্যাখ্যা করা যাক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই মানুষটির গল্প জেনে ফেলেছেন দেশের অনেকেই। কিন্তু খুব কম সংখ্যক ব্যক্তিই বোধহয় সত্যিকার অর্থে আলোড়িত হয়েছেন এই ঘটনায়। অনেককে বরং খুশিই মনে হয়েছে। কেননা এই ঘটনায় যে আমাদের বিজিবি অনবরত বিএফএফের বিরুদ্ধে নিজের দৃঢ় অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছে।
হ্যাঁ, বিজিবির অবস্থান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের ভূমিকা অবশ্যই স্বীকৃতির দাবি রাখে। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের এই ঘটনার মানবিক দিকটাও বোঝা জরুরি। সেই জায়গাটায় আমরা ব্যর্থ।
এই ব্যর্থতার শুলুক সন্ধান করতে গেলে দেখা যাবে, সীমান্তবর্তী মানুষদের গল্প আমরা আমাদের রোজকার চায়ের আলাপে তো নয়ই, এমনকি বইয়ের পাতা কিংবা ছোটো-বড়ো পর্দায়ও অনুভবের সুযোগ খুব একটা পাইনি। মার্জিনালাইজড ওই মানুষগুলোকে আমরা খুব কমই উপস্থাপিত হতে দেখেছি স্বদেশী কোনো শিল্পমাধ্যমে, যেখানে তাদের যন্ত্রণাকে একই সঙ্গে নাটকীয় অথচ মানবিক রূপে তুলে ধরা হয়েছে।
অথচ শিল্প-সাহিত্যের কাজ তো এটিই। একজন মানুষ তার জীবনে জাগতিক সকল অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হবে না, এটা ধ্রুব সত্য। যেমন এভারেস্ট সবাই বিজয় করবে না, আমাজনের গহীনে সবাই হারানোর শখ করবে না, ইংলিশ চ্যানেল সবাই সাঁতরে পার হবে না। কিন্তু বিচিত্র বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একজন মানুষের হৃদয়ে কোন ধরনের আবেগ-অনুভূতি সঞ্চারিত হয়, এবং ঠিক কোন কোন ঘটনা তাকে সেই বিশেষ পরিস্থিতিতে উপনীত করল, সেগুলো সর্বসাধারণের মাঝে বোধগম্য করে তোলার দায়িত্ব গল্প-উপন্যাস-নাটক-সিনেমা-নাচ-গান-আবৃত্তি-চিত্রকর্ম-মূর্তি-ভাস্কর্যের।
তবে শিল্পের এই সকল মাধ্যমের মধ্যে সিনেমা যেহেতু সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম, তাই আজকের এই আলাপ সেখানেই সীমিত রাখা যাক।
১৯৪৭-এর দেশভাগের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নানা সমস্যায় জর্জরিত দুই পারের লাখো মানুষ। আশির দশকে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের পর থেকে সেই ট্র্যাজেডি এক নতুন স্তরে উন্নীত হয়েছে। আর দুই দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে গত আড়াই দশকে সেটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছে।
অথচ এই শতকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত-সংক্রান্ত মূলধারার সিনেমার কথা ভাবলে প্রথমেই যে হাতেগোনা কয়েকটি নাম মাথায় আসে, সেগুলো হলো: ‘স্বপ্নের দিন’, ‘শঙ্খচিল’, ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’, ‘সিতারা’। সীমান্তের দুই পারের মানুষের বিভাজন, বাস্তুচ্যুতি ও সর্বোপরি অস্তিত্বের সংকটের যে আখ্যান, তা কমবেশি উঠে এসেছে এসব সিনেমায়।
কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এই সিনেমাগুলো সবই রচনা ও পরিচালনা করেছেন ভারতীয় নির্মাতারা। তাই দিনশেষে সেগুলো মূলত ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও সংবেদনশীলতা থেকেই অনুসৃত হয়েছে।
এ কথা বলে অবশ্য আমি ভারতীয় সিনেমার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছি না। আমি বরং ইঙ্গিত করছি বাংলাদেশের নিজস্ব চলচ্চিত্রজগতে এ বিষয়ক অনুপস্থিতির দিকে। সীমান্ত নিয়ে আমাদের সেরকম উল্লেখযোগ্য সিনেমা কোথায়?
হ্যাঁ, দেশি-বিদেশি অর্থায়নে অনেক প্রামাণ্যচিত্রই হয়েছে বটে, এবং সেগুলোর গুরুত্বও অনস্বীকার্য। কিন্তু তাতে ন্যারেটিভ সিনেমার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায় না। সেরকম কোনো সিনেমা সীমান্ত সংকটের মানবিক দিকগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব ও গাম্ভীর্যের সঙ্গে ফুটিয়ে তুলতে পারত।
কিন্তু এক্ষেত্রে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতারা কোথায়? তারা কেন ১০৮২ নম্বর পিলারের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই বৃদ্ধ মানুষগুলোকে দেখে, কিংবা এরও অনেক আগেই কাঁটাতারে আটকে থাকা ফেলানি খাতুনের লাশ দেখে, তার ভেতরে সিনেমার সম্ভাবনা খুঁজে পাননি?
এই না পাওয়াটা হয়তো কোনো অপরাধ না। কিন্তু এটি কোনো নিরীহ বিচ্যুতিও না।
গত ১৩ মাসে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। স্পষ্টতই বেড়েছে বিএসএফের গুলিতে নিহতের সংখ্যা, এবং ঘটেছে ভারত থেকে বাংলাদেশের সীমান্তে হাজারো মানুষকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা।
মূলধারার বাংলাদেশি গণমাধ্যম নিয়মিতই এ বিষয়ে প্রতিবেদন করছে, পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, বিশ্লেষণ ছাপাচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে এই মানবিক বিপর্যয়ের শিল্পরূপও তো জরুরি। কারণ শিল্পরূপ মানুষের মনোজগতে নাড়া দিতে পারে। বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার বাইরে নৈতিক অবস্থান শক্ত করতে পারে।
বলতে পারেন, এসব দেখার দায়িত্ব সাংবাদিকদের। হ্যাঁ, তারা দেখছে। মূলধারার বাংলাদেশি গণমাধ্যম নিয়মিতই এ বিষয়ে প্রতিবেদন করছে, পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, বিশ্লেষণ ছাপাচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে এই মানবিক বিপর্যয়ের শিল্পরূপও তো জরুরি। কারণ শিল্পরূপ মানুষের মনোজগতে নাড়া দিতে পারে। বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার বাইরে নৈতিক অবস্থান শক্ত করতে পারে।
সে কথা চিন্তা করেই শুরুতে ‘দ্য টার্মিনাল’-এর রেফারেন্স টেনেছিলাম। স্টিভেন স্পিলবার্গের এই সিনেমায় ব্যক্তিমানুষের রাষ্ট্রহীনতা এক অনুভবযোগ্য বাস্তবতায় রূপ নিয়েছিল। আমরা যখন টম হ্যাঙ্কসের চরিত্রকে বিমানবন্দরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জালে আটকে থাকতে দেখেছিলাম, তখন আমাদের শরীর-মনেই শূল হয়ে বিঁধেছিল রাষ্ট্রহীনতার বেদনা।
সত্য ঘটনার আলোকে নির্মিত হলেও, এটি কিন্তু শতভাগ বাস্তবঘনিষ্ঠ ছিল না। ফিকশনাল অনেক সংযোজন-বিয়োজনই সেখানে ছিল। তারপরও এটি আমাদের সামনে সহানুভূতির এমন এক দরজা খুলে দিয়েছিল, যা কোনো সাদামাটা রিপোর্ট বা নিরাবেগ ডকুমেন্টারির পক্ষে সম্ভব না।
বাংলাদেশি সিনেমা একটা দীর্ঘ খরা কাটিয়ে এখন আবার সরস শীতল সুবাতাস ছড়াতে শুরু করেছে। প্রতি বছরই একাধিক দর্শকপ্রিয় ও সমালোচক-প্রশংসিত সিনেমা নির্মিত হচ্ছে। বিদেশি ফেস্টিভ্যালে গিয়েও সেগুলো দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে। কিন্তু তারপরও হতাশার বিষয় হলো, শুধু সীমান্ত-সংক্রান্ত কেন, সরাসরি রাজনৈতিক বা ভূ-রাজনৈতিক বিষয়বস্তুকে ঢাল করে, কিংবা মগজে-মননে-দর্শনে পুরোপুরি পলিটিক্যাল সিনেমা এখনো আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
এটিকে স্রেফ চলচ্চিত্রনির্মাতাদের একক ব্যর্থতা হিসেবে ধরলে ভুল হবে। আদতে এটি আমাদের জাতিগত ব্যর্থতা যে প্রতিষ্ঠান কিংবা ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে চলচ্চিত্রকে এখনো আমরা পূর্ণাঙ্গতা দিতে পারিনি। এখনো আমরা বুঝ্র উঠতে পারিনি, সিনেমার ক্ষমতা ঠিক কতটা।
সিনেমার মধ্যে সেই ক্ষমতা আছে যে সে একটি ঘটনাকে নিজের ন্যারেটিভ স্ট্রাকচারে ফেলে ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে তুলে ধরতে পারে। সংবাদ প্রতিবেদন বা প্রামাণ্যচিত্র হয়তো আমাদের স্রেফ ‘জানাতে’ পারে যে এক বৃদ্ধ মানুষ ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’-এ আটকে পড়েছেন। কিন্তু সিনেমা আমাদের সত্যিকার অর্থে ‘বোঝাতে’ পারে, এই একটি ঘটনার অন্তরালে কতটা নিগূঢ় গভীরতা থাকতে পারে।
তদুপরি, সিনেমা আমাদের ‘জাতীয় স্বার্থ’ নিয়ে ভাবার ধরনটাই নতুনভাবে গড়ে দিতে পারে। সীমান্ত রক্ষার কথাই যদি চিন্তা করি, বিজিবির ভূমিকা নিঃসন্দেহে বৈধ ও প্রয়োজনীয়। কিন্তু সিনেমা সেই প্রশ্নগুলোও তুলতে পারে, যা আমলাতন্ত্র সাধারণত তুলতে পারে না: এই দায়িত্ব পালনের মানবিক মূল্য কোথায়? রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফাঁদে যারা আটকে পড়ে, শেষমেশ তাদের কী হয়? রাষ্ট্রহীন মানুষের প্রতি আমাদের, একটি জাতি হিসেবে, দায়বদ্ধতা কোথায় শুরু হয়, আর কোথায় গিয়ে থেমে যায়?
এই প্রশ্নগুলো কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে না; বরং যে নৈতিক ভিত্তির ওপর কোনো রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে, সেটিকেই আরও মজবুত ও টেকসই করে তুলতে পারে।
এই ব্যাপারটিও কিন্তু খুবই পরিহাসের যে, সীমান্ত-সমস্যার ভুক্তভোগী মূলত বাংলাদেশিরা হলেও, ভারতীয় নির্মাতারা এর গভীরতা অনুভব করতে পেরে কিছু কিছু কাহিনিকে বড়ো পরিসরে নিয়ে এসেছেন। আর তাই এখন যখন বাংলাদেশি দর্শকরা নিজেদের সীমান্ত-সংকট বুঝতে চান, তখন অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে ভারতীয় সিনেমারই দ্বারস্থ হতে হয়, কারণ তাদের নিজেদের চলচ্চিত্রজগৎ এই বাস্তবতাকে অনেকাংশে উপেক্ষা করেছে।
এবার চিন্তা করা যাক, একটি বাংলাদেশি সীমান্তভিত্তিক সিনেমা কেমন হতে পারে?
এটি হতে পারে নিতান্তই ১০৮২ নম্বর পিলারের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ মানুষটিকে উপজীব্য করে। কিংবা এটি বলতে পারে বিজিবির সেইসব সৈনিকদের গল্প, যারা দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত নৈতিকতার টানাপোড়েনে আটকে আছে। এটির কেন্দ্রে থাকতে পারে সীমান্তঘেঁষা গ্রামের সেই পরিবারগুলো, যারা নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলে এক অচেনা মানুষকে পানি ও খাবার দিয়ে যাচ্ছে। কিংবা হয়তো এমন কোনো বিষয়বস্তুও সেটি তুলে ধরতে পারে, যা ঢাকায় ফ্যানের বাতাসে বসে আমরা এই মুহূর্তে চিন্তাও করতে পারছি না।
মোদ্দা কথা, সিনেমা তৈরি হওয়া দরকার। সিনেমা সীমান্ত-সংকটের কোনো বাস্তবমুখী সমাধান হয়তো দিতে পারবে না, কিন্তু সমস্যাগুলোকে এক নতুন আলোকে চিত্রায়িত করে সেগুলোর প্রকৃত স্বরূপ তো উন্মোচন করতে পারবে।
যতদিন এরকম কোনো সিনেমা তৈরি না হচ্ছে, ততদিন আমাদের এই রূঢ় বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই বাস করতে হবে যে, ভারতের আধিপত্যবাদকে আমরা যতই প্রতিরোধ করতে চাই না কেন, আমাদের নিজেদের অনেক সমস্যাও আমাদের অনেকের তুলনায় ভারতীয় শিল্পী-নির্মাতারাই ভালোভাবে অনুভব করতে পারেন!

জন্ম বাগেরহাটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যয়নরত। লিখতে ভালো লাগে।