পারীতে কমলালেবুগুলোকে দেখলে মনে হয় যেন গাছ থেকে ঝরে পড়ার পর কুড়িয়ে আনা কোনো এক বিষণ্ণ ফল। কিন্তু যখন তারা তোমার কাছে এসে পৌঁছায়, হিমশীতল, বর্ষণমুখর শীতের মাঝে, তখন তাদের খোসা থেকে আলো ঠিকরে পড়ে, আর এই শান্ত স্বাদের দেশে তাদের সুগন্ধ হয়ে ওঠে আরও তীব্র, তারা এক অদ্ভুত, প্রায় বোহেমিয়ান রূপ ধারণ করে। কুয়াশাচ্ছন্ন সন্ধ্যায়, লাল কাগজের লণ্ঠনের আবছা আলোয়, ছোটো ছোটো গাড়িতে গাদাগাদি করে তারা বিষণ্ণভাবে ফুটপাত ধরে এগিয়ে চলে। গাড়ির ঘর্ঘর শব্দ আর বাসের প্রচণ্ড কোলাহলের মাঝে হারিয়ে যাওয়া একঘেয়ে, ক্ষীণ আর্তনাদ তাদের সঙ্গী হয়:
— দুই পয়সায় ভ্যালোন্সিয়া!*
তিন চতুর্থাংশ পারীবাসীর কাছেই, বহুদূর থেকে কুড়িয়ে আনা, গোলগাল গড়নের, বড্ড সাধারণ দেখতে এই ফল, যার বোঁটায় বলতে গেলে কেবল গাছের একটি ছোট্ট সবুজ পাতার অংশ লেগে থাকে—তা যেন কোনো বিলাসী ক্যান্ডি কিংবা কনফেকশনারিতে তৈরি নিখুঁত কোনো মিষ্টির মতো। তাদের জড়িয়ে থাকা রেশমি কাগজ এবং যেসব উৎসবের সঙ্গী হয়ে তারা উপস্থিত হয়, সেগুলো এই অনুভূতিকে আরও জোরালো করে তোলে। বিশেষ করে জানুয়ারি মাসটা যত এগিয়ে আসে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার কমলালেবু আর ড্রেনের কাদার মধ্যে পড়ে থাকা ওই সব উজ্জ্বল খোসাগুলো দেখে মনে হয় যেন এক বিশাল, দানবীয় কোনো বড়োদিনের গাছ পুরো পারী শহরের বুকে দাঁড়িয়ে তার কৃত্রিম ফলে ঠাসা ডালপালাগুলোকে সজোরে ঝাঁকিয়ে দিয়েছে। এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে তাদের দেখতে পাওয়া যাবে না। কখনও কোনো সুসজ্জিত দোকানের ঝলমলে কাচের জানালায় বাছাই করে সাজিয়ে রাখা; কখনও আবার জেলখানা কিংবা হতদরিদ্রদের আশ্রয়কেন্দ্রের সদর দরজায়, বিস্কুটের প্যাকেট আর আপেলের স্তূপের মাঝখানে; আবার কখনও রবিবারের নাচঘর কিংবা থিয়েটার হলের প্রবেশপথের ঠিক সামনে। আর তাদের সেই অপূর্ব সুবাস তখন মিশে যায় গ্যাসের লণ্ঠনের চড়া গন্ধে, আনাড়ি বেহালার ক্যাঁচক্যাঁচে সুরে, আর থিয়েটারের একেবারে ওপরের তলার সস্তা গ্যালারির ধুলোভরা বেঞ্চগুলোর মাঝে। অবস্থা এমন দাঁড়ায়, আমরা ভুলেই যাই যে কমলালেবু ফলানোর জন্য আদতে একটি কমলা গাছের প্রয়োজন হয়, কারণ ফলগুলো যখন বাক্সভর্তি হয়ে সরাসরি দক্ষিণ অঞ্চল থেকে আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়, তখন আসল গাছটি—ছেঁটেছুটে, রূপ বদলে, ছদ্মবেশে—শীতকালের সেই উষ্ণ গ্রিনহাউজ থেকে বের হয়ে সরকারি উদ্যানগুলোর উন্মুক্ত বাতাসে কেবল ক্ষণিকের জন্যই দেখা দেয়।
কমলালেবুদের সত্যিই যদি ভালো করে চিনতে হয়, তবে তাদের দেখতে হবে নিজেদের ঘরে—বালেয়ারিক দ্বীপপুঞ্জে, সার্দিনিয়ায়, কর্সিকায় কিংবা আলজেরিয়ায়; ভূমধ্যসাগরের সেই সোনাঝরা নীল আকাশ আর ওম জড়ানো উষ্ণ আবহাওয়ার বুকে। ব্লিদার* প্রবেশমুখে, কমলালেবুর সেই ছোট্ট বাগানটির কথা আমার আজও মনে পড়ে। ওহ্, ওখানেই তো তারা তাদের আসল রূপে অপরূপা হয়ে উঠেছিল! গাঢ়, মসৃণ ও চকচকে পাতার ভেতরে ফলগুলো রঙিন কাচের মতো ঝলমল করছিল, আর উজ্জ্বল ফুলগুলোকে ঘিরে থাকা সেই জ্যোতির্বলয়ের মতো এক ধরনের দীপ্তি ছড়িয়ে চারপাশের বাতাসকে সোনালি আভায় ভরিয়ে দিচ্ছিল। এখানে-সেখানে রোদের আলো এসে পড়ছিল গাছের ডালপালার ফাঁকফোকর গলে; আর সেই ফাঁকফোকর দিয়ে দেখা যাচ্ছিল ছোট্ট শহরের প্রাচীর, একটি মসজিদের মিনার, একজন সুফি সাধকের মাজারের গম্বুজ, আর সবার ওপরে মাথা উঁচু করে থাকা অ্যাটলাস পর্বতমালার বিশাল স্তূপ, যার পাদদেশ ছিল সবুজ, আর চূড়াটি সাদা পশমের মতো বরফের মুকুটে ঢাকা, যেন সদ্য পড়া তুলতুলে তুলোর মতো তুষারের ঢেউ খেলানো এক চাদর।
এক রাতে, যখন আমি সেখানে ছিলাম, জানি না কোন অজানা ঘটনার ফলে—যা ত্রিশ বছর ধরে আর দেখা যায়নি—এই শীতল ও হিমেল অঞ্চল হঠাৎ ঘুমন্ত শহরের ওপর নেমে এলো, আর ব্লিদা জেগে উঠল পুরো অন্য রূপে, সাদা তুষারের আবরণে আবৃত। সেই হালকা, নির্মল আলজেরিয় বাতাসে তুষারকণাদের যেন মুক্তোর গুঁড়োর মতো লাগছিল। তার প্রতিফলন ছড়িয়ে পড়ছিল সাদা ময়ূরের পালকের মতো। সবচেয়ে সুন্দর ছিল কমলালেবু গাছের বাগানটি। শক্ত পাতাগুলো বরফকে এমনভাবে অক্ষত আর সোজা করে ধরে রেখেছিল, ঠিক যেন পালিশ করা থালায় সাজিয়ে রাখা শরবত। কুয়াশার গুঁড়ো মাখানো প্রতিটি ফলের মধ্যে ছিল এক চমৎকার কোমলতা, আর সুক্ষ্ম শ্বেতশুভ্র কাপড়ে ঢাকা সোনার মতো এক মৃদু দীপ্তি। পুরো বিষয়টি অস্পষ্টভাবে কোনো গির্জার উৎসবের আবহ তৈরি করছিল, ঠিক যেন লেসের পোশাকের নিচে যাজকদের লাল রঙের সেই বিশেষ পোশাক, আর চিকন লেসের কাপড়ে জড়ানো বেদীর সোনালি কারুকাজ…
সেগুলো ছিল চমৎকার সব ফল, ভেতরটা একদম বেগুনি-লাল, আমার কাছে অমৃতের মতো মনে হতো, আর তার ওপর দিগন্তটা ছিল কী ভীষণ মনোমুগ্ধকর! পাতার ফাঁক দিয়ে সমুদ্র তার ঝলমলে নীল রূপ মেলে ধরছিল, ঠিক যেন বাতাসে কুয়াশার মাঝে চকচক করতে থাকা ভাঙা কাচের টুকরো।
তবে কমলালেবু নিয়ে আমার সবচেয়ে মধুর স্মৃতিটি জড়িয়ে আছে বার্বিকালিয়ায়*, সেটি আজাকসিওর* কাছেই একটি বড়ো বাগান, যেখানে দুপুরের তীব্র গরমের সময় আমি একটুখানি ভাতঘুম দিতে যেতাম। এখানকার কমলালেবুর গাছগুলো ব্লিদা-র চেয়েও দীর্ঘ আর অনেক বেশি ছড়িয়ে ছিল; গাছগুলো একেবারে রাস্তা পর্যন্ত নেমে এসেছিল, যে রাস্তা থেকে বাগানটিকে আলাদা করেছিল কেবল একটি প্রসারিত ঝোপের বেড়া ও একটি নালা। আর তার ঠিক পরেই ছিল সমুদ্র—বিশাল নীল সমুদ্র… কী দারুণ সময়ই না আমি কাটিয়েছি সেই বাগানে! আমার মাথার ওপরে, ফুলে ফুলে ভরা কমলালেবু গাছগুলো বাতাসে ছড়িয়ে দিচ্ছিল তাদের সুবাসের তীব্র সুগন্ধ। কখনও কখনও, হুট করে বোঁটা খসে পড়া একটি পাকা কমলালেবু, যেন গরমে ভারী হয়ে ওঠেছে, কোনো প্রতিধ্বনি ছাড়াই মৃদু শব্দে আমার কাছেই সরাসরি মাটির বুকে আছড়ে পড়ত। সেগুলো ছিল চমৎকার সব ফল, ভেতরটা একদম বেগুনি-লাল, আমার কাছে অমৃতের মতো মনে হতো, আর তার ওপর দিগন্তটা ছিল কী ভীষণ মনোমুগ্ধকর! পাতার ফাঁক দিয়ে সমুদ্র তার ঝলমলে নীল রূপ মেলে ধরছিল, ঠিক যেন বাতাসে কুয়াশার মাঝে চকচক করতে থাকা ভাঙা কাচের টুকরো। আর সাথে ছিল দূর-দূরান্তের বাতাসকে আলোড়িত করা ঢেউয়ের সেই অবিরাম বয়ে চলা, আর সেই ছন্দময় মৃদু গুঞ্জন—যা তোমাকে কোনো এক অদৃশ্য নৌকার মতো দোল খাইয়ে যায়; সেই সাথে গরম আবহাওয়া আর কমলার সুবাস… আহা, বার্বিকালিয়ার বাগানে ঘুমানোটা কতো যে আনন্দের ছিল!
তবুও মাঝে মাঝে, ভাতঘুমের সবচেয়ে আরামের সময়টাতে, ড্রামের বিকট শব্দে আমি ধড়ফড় করে জেগে উঠতাম। তারা ছিল কিছু হতভাগা ড্রামবাদক, যারা নিচে রাস্তার ওপর ড্রাম বাজানোর অনুশীলন করতে আসত। ঝোপের বেড়ার ফাঁক গলে আমি দেখতে পেতাম ড্রামগুলোর চকচকে তামাটে রঙ আর লাল প্যান্টের ওপর বড়ো বড়ো সাদা অ্যাপ্রন পরা ড্রামবাদকদের। রাস্তার ধুলোবালি থেকে চোখ ধাঁধানো যে রোদ নিষ্ঠুরভাবে ঠিকরে আসত, তা থেকে একটুখানি বাঁচতে ওই বেচারারা বাগানের একদম নিচে, ঝোপের মাঝে তৈরি হওয়া ছোটো ছায়াটুকুতে এসে দাঁড়াত। আর তারা ড্রাম পেটাত! তাদের কী ভীষণ গরমই না লাগত! তখন, আমার সেই অলস তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাবটা জোর করে কাটিয়ে, আমার হাতের কাছেই ঝুলে থাকা ওই চমৎকার লাল-সোনালি ফলগুলোর কয়েকটা ওদের দিকে ছুড়ে মেরে আমি বেশ মজা পেতাম। যে ড্রামবাদককে নিশানা করা হতো, সে বাজানো থামিয়ে দিত। খানিক ইতস্তত করে তার সামনের নালায় গড়িয়ে যাওয়া চমৎকার কমলালেবুটি কোথা থেকে এলো তা দেখতে চারদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিত; তারপর সে হুট করে ওটা কুড়িয়ে খোসা না ছাড়িয়েই বড়ো বড়ো কামড়ে খেতে শুরু করত।
আজাকসিওর চারপাশে এমন অনেক ছোটো ছোটো সমাধিক্ষেত্র আছে, যেগুলো কেবল তাদের নিজেদের জন্যই এমন বাগানের মাঝখানে তৈরি করা হয়েছে। রবিবার দিন পুরো পরিবার তাদের মৃত প্রিয়জনদের সাথে দেখা করতে এখানে আসে। এভাবে দেখলে, মৃত্যুর এই রূপটা সাধারণ কবরস্থানের কোলাহলের চেয়ে অনেক কম শোচনীয় বলে মনে হয়। সেখানে কেবল চেনা ও বন্ধুসুলভ মানুষদের পায়ের শব্দই সেই নীরবতাকে আলতো করে ছুঁয়ে যায়।
আমার আরও মনে পড়ে যে, বার্বিকালিয়ার ঠিক পাশেই, কেবল একটি নিচু দেওয়াল দিয়ে আলাদা করা বেশ অন্যরকম একটা ছোটো বাগান ছিল; আমি যেখানে বসে থাকতাম, সেই উচ্চতা থেকে পুরো বাগানটি আমার চোখের সামনে ভেসে উঠত। বাগানটি ছিল একটি ছোটো, অভিজাত নকশার জমি। এর সোনালি বালুকাময় পথগুলো, যার দুপাশে ছিল ঘন সবুজ বক্সউড গাছ, এবং প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি সাইপ্রেস গাছ, এটাকে মার্সেইয়ের কোনো গ্রামীণ বাড়ির রূপ দিয়েছিল। সেখানে ছায়ার কোনো নামনিশানা ছিল না। একদম শেষ মাথায় ছিল সাদা পাথরের একটি ভবন, যার মেঝের সমতলে ছিল সমাধিগৃহের ছোটো ছোটো জানালা। প্রথমে আমি ওটাকে গ্রামের কোনো বাড়ি ভেবেছিলাম; কিন্তু আরও ভালো করে লক্ষ করতেই, ওটার চূড়ায় থাকা ক্রস চিহ্ন আর দূর থেকে পাথরে খোদাই করা একটি লিপি—যা স্পষ্ট পড়া না গেলেও দূর থেকে আকারটা দেখা যাচ্ছিল—সেগুলো দেখে আমি বুঝতে পারলাম এটা আসলে কর্সিকার কোনো পরিবারের সমাধিস্তম্ভ। আজাকসিওর চারপাশে এমন অনেক ছোটো ছোটো সমাধিক্ষেত্র আছে, যেগুলো কেবল তাদের নিজেদের জন্যই এমন বাগানের মাঝখানে তৈরি করা হয়েছে। রবিবার দিন পুরো পরিবার তাদের মৃত প্রিয়জনদের সাথে দেখা করতে এখানে আসে। এভাবে দেখলে, মৃত্যুর এই রূপটা সাধারণ কবরস্থানের কোলাহলের চেয়ে অনেক কম শোচনীয় বলে মনে হয়। সেখানে কেবল চেনা ও বন্ধুসুলভ মানুষদের পায়ের শব্দই সেই নীরবতাকে আলতো করে ছুঁয়ে যায়।
আমার বসার জায়গা থেকে আমি দেখতে পেতাম, এক দয়ালু বৃদ্ধ খুব প্রশান্তি নিয়ে হেঁটে হেঁটে বাগানের পথগুলো দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সারাদিন ধরে তিনি গাছপালা ছাঁটতেন, কোদাল দিয়ে মাটি কাটতেন, জল দিতেন আর অত্যন্ত খুঁতখুঁতে যত্নের সাথে বাসি ফুলগুলো সরিয়ে নিতেন; তারপর, সূর্য যখন ডুবত, তিনি সেই ছোটো সমাধিগৃহের ভেতরে ঢুকতেন যেখানে তাঁর পরিবারের মৃত মানুষেরা চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন; সেখানে তিনি কোদাল, রেক আর বড়ো বড়ো ঝাঁঝরিগুলো গুছিয়ে রাখতেন—সবকিছুই করতেন কোনো এক কবরস্থানের মালির মতো স্বস্তি আর প্রশান্তি নিয়ে। নিজের অজান্তেই এই দয়ালু বৃদ্ধটি একাগ্র হয়ে কাজ করতেন, যেন প্রতিটি শব্দ তিনি আলতো করে চেপে রাখতেন আর সমাধিকক্ষের দরজাটি প্রতিবার এত সাবধানে ও আলগোছে বন্ধ করতেন, যেন তাঁর ভয় হতো—পাছে না আবার কারও ঘুম ভেঙে যায়! সেই বিস্তীর্ণ ও দীপ্তিময় নীরবতার মাঝে, এই ছোটো বাগানের পরিচর্যা একটা পাখিকেও বিরক্ত করত না, আর তার চারপাশের পরিবেশের কোথাও কোনো বিষণ্ণতার ছোঁয়া ছিল না। কেবল যেন এই কারণেই সমুদ্রটাকে আরও বেশি অসীম আর আকাশটাকে আরও অনেক বেশি উঁচুতে মনে হতো; আর জীবনের তীব্র প্রাচুর্যে থমকে যাওয়া এই ব্যাকুল প্রকৃতির মাঝে, ওই অনন্ত নিদ্রা যেন তার চারপাশের সবকিছুর ওপর এক চিরন্তন শান্তির পরশ বুলিয়ে দিত…
*[ভ্যালোন্সিয়া: স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া অঞ্চল থেকে আসা কমলালেবু। মিষ্টি ও রসালো কমলারলেবুর জন্য এই অঞ্চলটি জগৎবিখ্যাত।]
*[ব্লিদা(Blida) হলো আলজেরিয়ার একটি বিখ্যাত শহর, যাকে বলা হতো “গোলাপের শহর”(Ville des Roses)। এই শহরটি তার সুগন্ধি ফুল আর ফলের বাগানের জন্য সুপরিচিত ছিল।]
*[আজাকসিও ও বার্বিকালিয়া: আজাকসিও হলো ফ্রান্সের কর্সিকা (Corse) দ্বীপের একটি বিখ্যাত শহর, আর বার্বিকালিয়া সেখানকারই একটি ছোটো এলাকা।]

জন্ম ১৯৯২ সালের ৮ আগষ্ট। পৈতৃক নিবাস ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার মুন্সিনগর গ্রামে। কৈশোর কেটেছে পুরান ঢাকার ওয়ারী ও নবাবপুরে। প্রকাশিত কবিতার বই ‘বেপথু এই পথে’। এটি তাঁর প্রথম কবিতার বই। বাংলা কবিতার পাশাপাশি ফরাসি সাহিত্য নিয়ে আগ্রহী। বর্তমানে ফ্রান্সের La Régie autonome des transports parisiens(RATP)তে কর্মরত।