বিশ্বকাপ ফুটবলের কথা মনে পড়লেই আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে সোনারগাঁয়ের ছোট্ট সেই গ্রাম। পৃথিবীর নানা কিছু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই আজও আমি ফিরে যাই আমার শৈশবে—সোনারগাঁয়ের ললাটি গ্রামে, কাঁচা রাস্তার ধুলো, রেল লাইন, ট্রেনের হুইসেল, বর্ষায় কাদায় ডুবে থাকা পথ, সন্ধ্যার আজান শেষে ঘরে ফেরার তাড়া, আর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাড়ির উঠোনে জড়ো হওয়া গ্রামের মানুষজন, সেই সাদাকালো টেলিভিশনের সামনে, যেখানে বসে আমি প্রথম দেখেছিলাম বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো ফুটবল উৎসব।
আমাদের গ্রামে তখনও পল্লী বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। সন্ধ্যা নামলে চারপাশ অন্ধকারে ডুবে যেত। ঘরে ঘরে কেরোসিনের হারিকেন জ্বলত, কখনও হ্যাজাক বাতির আলোয় গ্রামের কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান হতো। সেই সময় আমাদের বাড়িতে ছিল একটি সাদাকালো টেলিভিশন। আজকের ছেলেমেয়েরা হয়তো কল্পনাও করতে পারবে না, তখন একটি টেলিভিশন পুরো গ্রামের মানুষের জন্য কত বড় আকর্ষণ ছিল! তখন একটাই চ্যানেল ছিল— বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি); টেলিভিশন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ ছিল না। বড়ো ব্যাটারি দিয়ে সেটি চালানো হতো। বিশ্বকাপের খেলা থাকলে বিকেল থেকেই সেই ব্যাটারির খোঁজখবর শুরু হতো। চার্জ ঠিক আছে কি না, ছবি পরিষ্কার আসে কি না, অ্যান্টেনা ঠিকমতো কাজ করছে কি না—এসব নিয়ে কত ব্যস্ততা!
আমার শৈশবের সবচেয়ে উজ্জ্বল স্মৃতিগুলোর একটি জুড়ে আছে ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপ। তখন আমি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি। পৃথিবী সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হয়েছে, কিন্তু আমার পৃথিবী তখনও খুব ছোট—সোনারগাঁয়ের কয়েকটি গ্রাম, মেঘনা-শীতলক্ষ্যা-ব্রহ্মপুত্রের বাতাস, স্কুলের মাঠ আর বাজারের চায়ের দোকান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। সেই ছোট পৃথিবীর ভেতর হঠাৎ একদিন ঢুকে পড়েছিল আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, ইংল্যান্ড, চিলি, আলজেরিয়া, ক্যামেরুন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড।
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাসখানেক আগে থেকেই আমাদের গ্রাম ললাটি ও আশেপাশের গ্রাম— শিংরাব, কুশাব, বাঘুরী, সুখেরটেকে উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যেত। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না, মোবাইল ফোনও ছিল না। খবর ছড়াতো মানুষের মুখে মুখে। হাটে গেলে দেখা যেত দোকানের সামনে ঝুলছে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের পতাকা।
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাসখানেক আগে থেকেই আমাদের গ্রাম ললাটি ও আশেপাশের গ্রাম— শিংরাব, কুশাব, বাঘুরী, সুখেরটেকে উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যেত। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না, মোবাইল ফোনও ছিল না। খবর ছড়াতো মানুষের মুখে মুখে। হাটে গেলে দেখা যেত দোকানের সামনে ঝুলছে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের পতাকা। স্কুলের মাঠে দাঁড়ালেই বোঝা যেত কে কোন দলের সমর্থক। আমি তখন আর্জেন্টিনার সমর্থক। কেন আর্জেন্টিনাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম, তার কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা আজও দিতে পারবো না। হয়তো তার পেছনে ছিলেন আমার প্রিয় খেলোয়াড় ম্যারাডোনা, যার জাদুকরী খেলা আমাকে মুগ্ধ করেছিল। আবার হয়তো আমাদের গ্রামের বড়ো ভাইদের অধিকাংশই ছিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক, আর তাদের আবেগ-উচ্ছ্বাসও অজান্তেই ছুঁয়ে গিয়েছিল আমাকে। আসলে শিশুমন অনেক সময় যুক্তির হিসাব কষে সিদ্ধান্ত নেয় না; ভালো লাগা, মুগ্ধতা আর চারপাশের আবহই তাকে পথ দেখায়। তাই আর্জেন্টিনার প্রতি সেই ভালোবাসার শুরুটা ছিল যুক্তির চেয়ে অনেক বেশি আবেগের।

দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর আমাদের বাড়ি যেন গ্রামের ছোট্ট এক স্টেডিয়ামে পরিণত হতো। সন্ধ্যার পর থেকেই আশপাশের মানুষজন আসতে শুরু করতেন। কেউ মাদুর নিয়ে আসতেন, কেউ পিঁড়ি। কেউ চা নিয়ে আসতেন, কেউ মুড়ি, কেউ চানাচুর। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই ছোটখাটো একটা মেলা বসে যেত। উঠান ভরে যেত মানুষের কোলাহলে। ছোটরা সামনে, বড়োরা পেছনে। সাদাকালো পর্দায় ঝিরঝিরে ছবির ভেতর ফুটবল মাঠ দেখা যেত, আর সেই মাঠের প্রতিটি দৃশ্য আমাদের কাছে ছিল বিস্ময়ের মতো। আজও মনে আছে, আর্জেন্টিনার খেলা থাকলে আমার উত্তেজনায় ঘুম আসত না। বিকেল থেকেই মনে হতো রাত যেন দ্রুত নেমে আসে। বারবার ঘড়ি দেখতাম। তখন জুন মাস, কখনো খেলা শুরু হতো সন্ধ্যায়, কখনো গভীর রাতে। খেলা শুরু হওয়ার অনেক আগেই আমি টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বসে থাকতাম।
আমাদের গ্রামে তখন পতাকা টাঙানোর এক অলিখিত প্রতিযোগিতা চলত। কেউ বিশ ফুট উঁচু বাঁশে পতাকা উড়িয়েছে, তো আরেকজন পঁচিশ ফুট উঁচু বাঁশ দাঁড় করিয়েছে। বাড়ির চাল, গাছের ডাল, পুকুরপাড়—সবখানে উড়ত নানা দেশের পতাকা। মজার বিষয় হলো, ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অধিকাংশই জানত না সেই দেশগুলোর রাজধানীর নাম কী, কিন্তু দলের পরাজয় বা জয়ে তাদের আবেগ ছিল একেবারে নিজের দেশের মতো। বিশ্বকাপের সময় স্কুলের পরিবেশও বদলে যেত। ক্লাসে শিক্ষক পড়াচ্ছেন, আর আমরা খাতার ভেতরে খেলোয়াড়দের নাম লিখছি। টিফিনের সময় আলোচনা চলছে—ম্যারাডোনা বড়ো নাকি রোনালদো, ম্যারাডোনা কি সত্যিই জাদুকর, ব্রাজিল এবার কতদূর যাবে। কোনো কোনো দিন তর্ক এতদূর গড়াত যে বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হতো। কিন্তু পরদিন আবার সবাই একসঙ্গে মাঠে ফুটবল খেলতাম।
বিশ্বকাপ আমাদের কল্পনারও বিস্তার ঘটিয়েছিল। তখন প্রথম বুঝতে শুরু করি পৃথিবী কত বড়! আর্জেন্টিনা কোথায়, ব্রাজিল কত দূরে, জার্মানির মানুষ কী ভাষায় কথা বলে—এসব জানার আগ্রহ জন্মেছিল বিশ্বকাপ ফুটবল থেকেই। আমাদের গ্রামীণ জীবনের সীমিত পরিসরের ভেতর বিশ্বকাপ যেন একটি জানালা খুলে দিয়েছিল, যার ওপাশে ছিল বিশাল পৃথিবী।
আব্বা অবশ্য এসব নিয়ে খুব খুশি ছিলেন না। বিশেষ করে রাত জেগে খেলা দেখা নিয়ে। তিনি বারবার বলতেন, “সকালে স্কুল আছে, ঘুমাতে যাও।” আমার অন্য ভাইবোনেরা অনেক সময় ভয়ে ঘুমাতে চলে যেত। কিন্তু আমি যেতাম না। আব্বার কথা শুনেও শুনতাম না। মনে হতো, এই খেলা না দেখলে জীবনের বড়ো কিছু মিস করে ফেলব। রাত যত গভীর হতো, আমার চোখের পাতা তত ভারী হয়ে আসত। কিন্তু টেলিভিশনের দিকে তাকিয়ে থাকার নেশা আমাকে জাগিয়ে রাখত। কখনো আব্বা রাগ করে ধমক দিতেন, কখনো আম্মা বলতেন, “কাল সকালে উঠতে পারবে না।” কিন্তু আমার কানে সেসব কথা ঢুকত না। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখতাম বিশাল মাঠে ছোট্ট একটি বলের পেছনে ছুটে চলা মানুষগুলোকে।
সেই ১৯৮২ বিশ্বকাপেই আমার হৃদয় আর্জেন্টিনার কাছে বন্দি হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি, দর্শকদের উচ্ছ্বাস, তাদের আক্রমণাত্মক খেলা—সবকিছু আমাকে অদ্ভুতভাবে আকর্ষণ করেছিল। তারপর থেকে আর্জেন্টিনাই হয়ে ওঠে আমার দল। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমার জীবনে আবির্ভাব ঘটে এক জাদুকরের। তার নাম দিয়েগো ম্যারাডোনা। আজও মনে হয়, ফুটবলকে আমি যতটা ভালোবেসেছি, তার অনেকটাই ম্যারাডোনার জন্য। তিনি যখন বল পায়ে মাঠে নামতেন, তখন মনে হতো ফুটবল আর খেলা নয়, এক ধরনের শিল্প। তার পায়ের সঙ্গে বলের সম্পর্ক ছিল যেন বংশীবাদকের সঙ্গে বাঁশির, কিংবা কবির সঙ্গে শব্দের।
ম্যারাডোনা যখন মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ছুটতে শুরু করতেন, আমার নিঃশ্বাস আটকে যেত। মনে হতো তিনি একাই পুরো মাঠটাকে বদলে দিচ্ছেন। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা তাকে ঘিরে ধরছে, অথচ তিনি কখনো ডানে, কখনো বাঁয়ে, কখনো শরীর ঘুরিয়ে সবাইকে ফাঁকি দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। কী যে সেই জাদুকরী খেলা! ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় স্মৃতি। তখন আমি কিছুটা বড়ো হয়েছি। ফুটবলও বুঝি আগের চেয়ে বেশি। সেই বিশ্বকাপে ম্যারাডোনাকে দেখেছি তার মহিমার চূড়ায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার গোলগুলো দেখার সময় মনে হয়েছিল, মানুষ নয়, অন্য কোনো গ্রহের কেউ যেন ফুটবল খেলছে।
আমাদের গ্রামের ছেলেদের মধ্যে তখন ম্যারাডোনা এক উন্মাদনার নাম। আমরা মাঠে খেলতে নেমে তার মতো ড্রিবল করার চেষ্টা করতাম। কেউ পারতাম না, তবু চেষ্টা করতাম। কারণ ম্যারাডোনা শুধু একজন ফুটবলার ছিলেন না; তিনি ছিলেন স্বপ্ন।
আমাদের গ্রামের ছেলেদের মধ্যে তখন ম্যারাডোনা এক উন্মাদনার নাম। আমরা মাঠে খেলতে নেমে তার মতো ড্রিবল করার চেষ্টা করতাম। কেউ পারতাম না, তবু চেষ্টা করতাম। কারণ ম্যারাডোনা শুধু একজন ফুটবলার ছিলেন না; তিনি ছিলেন স্বপ্ন। ১৯৮২ সালের পর আজ পর্যন্ত আমি কোনো বিশ্বকাপ মিস করিনি। ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০—একটির পর একটি বিশ্বকাপ আমার জীবনের ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। ছাত্রজীবন, যৌবন, কর্মজীবন—সব সময়ের পাশে কোথাও না কোথাও একটি বিশ্বকাপ দাঁড়িয়ে আছে।
তবে সত্যি বলতে কী, সেই প্রথম বিশ্বকাপের আনন্দ আর কখনো ফিরে আসেনি। এখন ঘরে স্মার্ট টিভি আছে, মোবাইল ফোন আছে, ইন্টারনেট আছে। পৃথিবীর যেকোনো ম্যাচ মুহূর্তেই দেখা যায়। কিন্তু সেই অপেক্ষা নেই। সেই ব্যাটারি চালিত সাদাকালো টেলিভিশন নেই। নেই উঠানভর্তি মানুষ। নেই আব্বার বকুনি উপেক্ষা করে রাত জেগে খেলা দেখার রোমাঞ্চ।
আজও বিশ্বকাপ এলে আমি খেলা দেখি। আর্জেন্টিনার খেলা হলে এখনও বুকের ভেতর অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করে। কিন্তু খেলার পাশাপাশি আরেকটি জিনিসও দেখি—স্মৃতি। দেখি ললাটি গ্রামের সেই উঠান। হারিকেনের আলো। সাদাকালো টেলিভিশনের ঝিরঝিরে ছবি। পাশেই বসে থাকা ভাইবোনেরা। গ্রামের মানুষদের উল্লাস। তারপর দেখি ম্যারাডোনা বল নিয়ে ছুটছেন। যেন সময়ের ভেতর দিয়েই ছুটছেন। তার পায়ের সঙ্গে লেগে আছে আমার শৈশব, আমার গ্রাম, আমার বিস্ময় আর আমার প্রথম ফুটবলপ্রেম।
আমার কাছে বিশ্বকাপের আসল ট্রফি কোনো সোনালি কাপ নয়। আমার কাছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি হলো এই স্মৃতিগুলো। কারণ এগুলো শুধু ফুটবলের স্মৃতি নয়; এগুলো আমার বেড়ে ওঠার ইতিহাস, আমার গ্রামের ইতিহাস, আমার পরিবারের ইতিহাস। আর সেই ইতিহাসের কেন্দ্রে আজও দাঁড়িয়ে আছেন একজন মানুষ—ম্যারাডোনা। আর একটি দল—আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপ এলেই আজও আমার মনে হয়, আমি আবার সেই ছোট্ট ছেলেটি হয়ে গেছি। আবার সন্ধ্যা নামছে সোনারগাঁয়ের আকাশে। দূরে কোনো বাড়িতে টেলিভিশনের শব্দ ভেসে আসছে। উঠানে মাদুর পাতা হচ্ছে। হাতে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা। আর পৃথিবীর অন্য প্রান্তে একটি ফুটবল ম্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে।

মূলত কবি। জন্ম ঢাকায়, ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭০। পৈতৃক নিবাস, সোনারগাঁয়ের ললাটি গ্রামে। পড়াশুনা কম্পিউটার বিজ্ঞানে, দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই; এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াংজু শহরে, চোন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ‘হিউম্যান রাইটস’ বিষয়ে মাস্টার্স। কবিতায় হাতেখড়ি নব্বই দশকের শুরুতে। থাকেন নিজ গ্রাম সোনারগাঁয়। পেশা ফ্রি-ল্যান্স গবেষক। তিনি একজন মুক্ত-চিন্তক, সংস্কৃতিকর্মী, কাজ করেন মানুষের অধিকার নিয়ে। শখ ভ্রমণ, সুযোগ পেলেই ঘুরে বেড়ান দেশ-বিদেশ। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘বাঁক ফেরার অভিজ্ঞতা’ (দোয়েল প্রকাশনী, ১৯৯৯) ‘চূড়ায় হারানো কণ্ঠ’ (মঙ্গলসন্ধ্যা, ২০০৩), ‘মায়াদ্বীপ’ (ঐতিহ্য, ২০১৫), ‘কৃষক ও কবির সেমিনার’ (অভিযান, ২০২০), ‘সহজিয়া প্রেমের কবিতা’ (অভিযান, ২০২১), ‘নৈরাজ্যবাদী হাওয়া’ (চৈতন্য, ২০২৩), ‘স্বনির্বাচিত কবিতা’ (ভাষাচিত্র, ২০২৩)। সম্পাদিত গ্রন্থ: ‘মঙ্গলসন্ধ্যা প্রেমের কবিতা’ (ধ্রুবপদ, ২০১৭)। অন্যান্য গ্রন্থ: ‘এশিয়ার বারটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ (ইংরেজি গ্রন্থ, মে এইটিন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, দক্ষিণ কোরিয়া, ২০১৫), ‘বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম স্মরণগ্রন্থ’ (ঐতিহ্য, একুশে বইমেলা, ২০২০)। পুরস্কার ও সম্মাননা: ‘চন্দ্রাবতী সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার’ (কবিতায়, ২০২১), শালুক সম্মাননা (২০১৯)।