Something about our authors goes here.
Authors
ইয়ার খান। ক্ষুরের নিচে চুলের সংশয় নিয়ে দাঁড়াতে পছন্দ করেন। হাঁটছেন কবিতায় নিজস্ব ভাষা নির্মানের পথে। জন্ম ১৯৯৭ যশোরে, বেড়ে ওঠা সিরাজগঞ্জে।
1 Articlesজন্ম ১৭ মে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে। বেড়ে উঠেছেন বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জে। প্রকাশিত ভাষান্তরিত বইসমূহ : ‘পাবলো পিকাসোর কবিতা’ (২০১৯), চার্লস বুকোস্কির অপ্রকাশিত কবিতা : ‘সোজা তোমার কবরে যাও’ (২০২১), জঁ ককতোর বাছাই কবিতা : ‘যুদ্ধ বিদ্যালয়’ (২০২১), ‘আফগানিস্তানের কবিতা’ (২০২২), মাও সেতুঙের কবিতা সংগ্রহ : ‘আকাশে আলো আনে মোরগের ডাক’ (২০২২)। এছাড়াও বেশ কয়েকটি অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।
1 Articlesপেশায় শিক্ষক। লিখছেন দীর্ঘদিন ধরেই। জন্মগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের বিক্রমপুরে। এখন আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়।
1 Articlesজন্ম ৫ এপ্রিল ১৯৭৯, বগুড়ার কৃষ্ণপুরে। পড়লেখা করেছেন রসায়ন শাস্ত্র ও মার্কেটিংয়ে। সম্পাদনা করেন ‘থার্ডম্যাগ’ নামে লিটল ম্যাগাজিন। পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার, ২০১০ ও পাঠকপণ্য সম্মাননা ২০১২। বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
1 Articlesজন্ম ৫ আগস্ট ১৯৮৭ সালে রাজশাহীতে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে পিএইচডি ফেলো। একাডেমিক কৃতিত্বের জন্য পেয়েছেন মেয়র শিক্ষা পদক (২০০৫) ও রাবি কলা অনুষদ শিক্ষাবৃত্তি (২০১৩)। সম্পাদনা করেছেন লিটল ম্যাগাজিন ‘ধ্রুব’। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন শালুক সাহিত্য পুরস্কার (২০১৯), ওমর আলী সাহিত্য সম্মাননা (২০১৯), কাব্যশ্রী পুরস্কার (২০২২) এবং অনুপ্রাণন লেখক সম্মাননা (২০২৩)। কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, ছড়া ও গান মিলিয়ে বর্তমানে গ্রন্থসংখ্যা ২০টি। বর্তমানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন। পাশাপাশি কাজ করছেন বাংলাদেশ বেতারের একজন নিয়মিত ঘোষক ও গীতিকার হিসেবে। এছাড়াও গীতিকার হিসেবে কাজ করেছেন ভারতীয় মিউজিক কোম্পানি হিন্দুস্তান রেকর্ড’র সাথে। টিভি নাটক ও টেলিফিল্মের জন্যও নিয়মিত গান লিখছেন।
1 Articlesবাংলাদেশী কবিতা-লেখক। ঢাকায় একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। জন্ম ১ অক্টোবর ১৯৭৮। এ পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচ। ‘বিদূষিকার লন্ঠন’ (২০২১), ‘অপুষ্পক’ (২০১৮), ‘বৃশ্চিকসূর্যের নিচে’ (২০১৬), ‘টোটেম সংগীত’ (২০১১) , ‘ফ্রস্টেড গ্লাসের ওইপাশে’(২০০৮) ।
1 Articlesবাংলা ভাষার কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট। বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। কর্মজীবন কাটে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের এক দপ্তরে। ২০০৬ সালে 'ধ্রুবপুত্র' উপন্যাসের জন্য তিনি ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার ‘সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার’ পান। 'অশ্বচরিত' উপন্যাসের জন্য ২০০১ সালে পান বঙ্কিম পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে। এ ছাড়া ২০০৪ সালে শরৎ পুরস্কার (ভাগলপুর), ১৯৯৮ সালে সর্বভারতীয় কথা পুরস্কার পান 'স্বদেশযাত্রা' গল্পের জন্য। ২০১০ সালে গজেন্দ্রকুমার মিত্র পুরস্কার পান। ২০১৯ সালে কাজাখস্তানে এশীয় সাহিত্য সম্মেলনে উদ্বোধনী মঞ্চে একমাত্র ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
1 Articlesকথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক ও অনুবাদক। প্রাচীন জেলা শহর যশোর। সীমান্তবর্তী থানা শার্শা। চারদিক বিল বাওড় ও সোনামুখীর রহস্যে ঘেরা বদ্বীপের মতো গ্রাম স্বরূপদহ। এখানেই জলের সঙ্গে জলকেলি খেলতে খেলতে বেড়া ওঠা। একাডেমিক পড়াশুনা যথাক্রমে : স্বরূপদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শার্শা পাইলট হাইস্কুল (বর্তমানে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়), যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ এবং সর্বশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স। নাটকের প্রতি বিশেষ আগ্রহের কারণে থিয়েটার স্কুল থেকে এক বছরের একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। ২১তম ব্যাচের প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েও ভেতরে শিল্পের নতুন অস্থিরতায় অভিনয় ছেড়ে সার্বক্ষণিক মনোনিবেশ করেন লেখালেখিতে। বাংলা একাডেমিতে সরকারি অনুদানে তরুণ লেখক প্রকল্পে বৃত্তি নিয়ে কাটান অর্ধবর্ষ। বর্তমানে অধ্যক্ষ ও পরিচালক নলেজ ট্রি অ্যাকাডেমি। ‘জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’ এর ইংরেজি বিভাগের লেকচারার। প্রকাশিত বই : আদিপাপ (ছোটোগল্প সংকলন, ২০১৪), অনুবাদ : জাদুর আংটি (শিশুতোষ উপন্যাস, ২০১৪), অদ্ভুত সাহায্যকারী (বেলারুশের শিশুতোষ গল্প সংকলন-১, ২০১৫)
1 Articlesশমীকের বাবা একজন কবি। মূলত তার উৎসাহেই লেখালেখির ভুবনে আসা। প্রকাশিত বই দুটি। ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘সাদাকালো’। ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় উপন্যাস ‘শ্যামাবউ’।
1 Articlesকবি-প্রাবন্ধিক-সমালোচক। গ্রামের বাড়ি সূর্য সেনের চট্টগ্রামের পটিয়ার আবদুল করিম সাহিত্য-বিশারদ আর আহমদ শরীফের কারণে বিখ্যাত সুচক্রদণ্ডী। জন্ম ওখানেই, ১৯৫৭ সালে। ১৩ নভেম্বর।
লিখছেন অনেকদিন ধরে। কখনো সক্রিয়, কখনো একেবারেই মাঠের বাইরে। আলস্যের মহান বরপুত্র। আড্ডায় অতি আগ্রহের কারণে নিগ্রহও কম জোটেনি জীবনে। তবুও আড্ডাপ্রবণ। নানা ধরনের কাজ করেছেন। কখনো পাঠাগারের বইয়ের তালিকাকারী, কখনো প্রুফ-রীডার, কখনো পত্রিকার সম্পাদনা সহকারী। গৃহশিক্ষকতার পাশাপাশি নানা কলেজ, কোচিং সেন্টারে পড়ানো, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত গবেষক থেকে হঠাৎ পরিপূর্ণ বেকার, বন্ধুর উৎসাহে বিজ্ঞাপনী সংস্থার নিয়মিত চাকরি। এরপর নিজের বিজ্ঞাপনী সংস্থা। সবই কমবেশি হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর আনন্দও হয়েছে কিছুদিন।
এখন পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা বারো। নয়টি কবিতার। দুটি প্রবন্ধের। একটি জীবনী। উল্লেখযোগ্য যে, শুরুর দিকের একটাও বাজারে পাওয়া যায় না।
গান শুনে আর ভবঘুরের মতো জীবন কাটিয়ে এখন পরিপূর্ণ বেকার। গোটা দশেক দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে। একাদশে ডাক পাওয়ার সম্ভাবনায় আছেন। দেশ-দেখা মানে মানুষ আর প্রকৃতিকে আরও একটু জানা, নতুন করে।
1 Articles