Something about our authors goes here.
Authors
কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক। পেশায় শিক্ষক এই লেখক জন্মগ্রহন করেন ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, ময়মনসিংহে। শূন্য দশকের গোড়ার দিকে তার গল্প, প্রবন্ধ, অনুবাদ প্রকাশ হয়েছে, বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে। তার প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থর নাম ‘ফাঁসির দূরত্বে থাকা মানুষ’ প্রকাশিত হয় পরম্পরা থেকে ২০২০ সালের একুশের বইমেলায়। এরপর তিনি অনুবাদ করেন ফ্রানৎস ফ্যানোর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ব্ল্যাক স্কিন, হোয়াইট মাস্ক’। যার বাংলায় নাম দিয়েছেন ‘কালো চামড়া, সাদা মুখোশ’। এছাড়া তিনি অনুবাদ করেন ন্যাডিন গার্ডিমার, মাও সেতুং, অক্টাভিও পাজ, ওরহান পামুক, মার্কেজ, জি এম কোয়েটজির উপন্যস সহ, অসংখ্য লেখকের কবিতা।
1 Articlesকবি ও প্রাবন্ধিক। জন্ম ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল মৌলভীবাজার জেলায়। পড়ালেখা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। উচ্চতর ডিগ্রি, প্রশিক্ষণ ও পাঠ গ্রহণ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সুকতাই থাম্মাথিরাত ওপেন ইউনিভার্সিটি, থাইল্যান্ড ও কুইন্স ইউনিভার্সিটি, কানাডা থেকে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘কাঠ চেরাইয়ের শব্দ’ [১৯৯৬], ‘দুঃখ ছেপে দিচ্ছে প্রেস’ [২০০৩], ‘ডিঠানগুচ্ছ উঠানজুড়ে’ [২০১০], ‘ঘোর ও শূন্য জলধিপুরাণ’ [২০১৭], ‘প্রাচীন পুঁথির পৃষ্ঠা হতে’ [২০২০] উল্লেখযোগ্য। তাঁর রয়েছে শিক্ষা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা। সাংবাদিকতা দিয়ে পেশাজীবন শুরু। কাজ করেছেন জাতিসংঘ শিশু তহবিলের শিক্ষাপরামর্শক হিসেবে। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশনের অধ্যাপক।
1 Articlesনেশায় লেখক, পেশায় সরকারি চাকরিজীবী। বর্তমানে বাঁচা একজন মানুষ তিনি। এ পর্যন্ত তিন চারটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবিতায় মন আর ছোটোগল্পে অন্তর ডুবিয়েছেন।
1 Articlesহাসনইন হীরার জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার বাঙ্গালা গ্রামে । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। লিখছেন দ্বিতীয় দশক থেকে। ‘বাঁক বাচনের বৈঠা’ তার প্রথম কাব্যগ্রস্থ। এই গ্রন্থের জন্য তিনি অর্জন করেছেন, জেমকন তরুণ কবিতা পুরস্কার-২০২০।
1 Articlesজন্ম ১৯৬০ সালের ০২ জানুয়ারি সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম জেলায়। তাঁর বাবার নাম আসাদুল হক এবং মায়ের নাম মাসুদা খাতুন। শৈশব-কৈশোর কেটেছে আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও খালিশপুর, খুলনায়। বর্তমান নিবাস ধানমন্ডি, ঢাকা। স্ত্রী মাহফুজা আখতার মিলি, সন্তান মাহবুব ময়ূখ রিশাদ ও জিদনি ময়ূখ স্বচ্ছ। চার ভাই এক বোনের মধ্যে চতুর্থ সন্তান। সম্পাদনা করেন ‘শব্দঘর’ নামের সাহিত্য-সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা। তিনি বাংলা একাডেমি ফেলো ও জীবন সদস্য। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফারিয়া লারা ফাউন্ডেশন; প্রথম আলোর মাদকবিরোধী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য; ‘প্রবাল কচি-কাঁচার মেলা’র সাবেক পরিচালক। লেখালেখির মুখ্য বিষয় উপন্যাস ও গল্প; শিশুসাহিত্য রচনার পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণাধর্মী লেখাও তিনি লিখে থাকেন।
পাঠ্যসূচিতে লেখকের ‘উড়াল বালক’ নামের কিশোর উপন্যাসটি স্কলাস্টিকা স্কুলের গ্রেড সেভেনে ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি (SEQAEP) কর্তৃকও নির্বাচিত হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কথাসাহিত্য ৩৯টি (উপন্যাস ২৬, গল্পগ্রন্থ ১৩)। কিশোর উপন্যাস ১১ ও অন্যান্য গ্রন্থ মিলে বইয়ের সংখ্যা ৫৭। কথাসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার (২০১৮), অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ (১৪১৮ বঙ্গাব্দ (২০১২) অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।
1 Articlesদীর্ঘ একাডেমিক নাম আবরার আহসান চৌধুরী। ডাকনাম আসিফ। পৃথিবীর অদ্ভুত রেজিস্টার খাতাগুলোয় কোথাও মিডল নেম লেখে না, কোথাও আবার পদবি লেখে না। তাছাড়া আবরার নামটা মায়ের দেয়া। আর আসিফ, বাবার। লেখার খাতায় আর গানের খাতায় তাই আসিফ আবরার নামটাই পাকেচক্রে রেজিস্টার হয়ে গেল।
একাডেমিক পড়াশোনা সেন্ট জোসেফ, নটরডেম, বিইউপি আর নর্থসাউথে। টুকটাক গান আর আবৃত্তি শেখা ছায়ানট আর বৈকুন্ঠে। গুচ্ছের একাডেমিক আর প্রফেশনাল সনদ প্লেন বানিয়ে উড়িয়ে দেবার স্বপ্ন দেখেন প্রায়ই, হয়ে ওঠে না। বেঁচে থাকতে টাকাপয়সা লাগে বলে সপ্তাহে পাঁচ দিন কর্পোরেট সেজে থাকতে হয়।
প্রথম কবিতার বই ‘কলম্বাস! কাছে এসো’ বেরোয় ২০১৬-তে। তারপর ২০১৮-তে সাই-ফাই/ ফ্যান্টাসি ঘরানার উপন্যাস ‘টুকুন, তিতিন আর কাফকিন’। ২০২২-এ হরর উপন্যাস ‘বিলায়াল’। নিজের হেভিমেটাল ব্যান্ড করার বিচিত্র অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২৩-এ কিশোর উপন্যাস ‘আই হ্যাড আ ব্যান্ড’। একটা সময়ের পর পত্রপত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন, সব থেকেই স্বেচ্ছা বিরতি নিয়েছিলেন, কারণ মূলত অলসতা।
হেভিমেটাল গানবাজনা চলছে বহুদিন। সে আরেক গল্প।
পরিচয় দেবার পর মনে হয় আসল কথাই বলা হলো না। পরিচয় মূলত অন্য হাতে লেখা ইতিহাস। তা দিয়ে কি আর সব সময় মানুষ বোঝা যায়? মাঝে মাঝে তো এরকমও মনে হয়, ভদ্রলোক এক পরাজিত জেনারেল। হু হু বাতাসের দিনে হঠাৎ হুংকার ছেড়ে বলেন, ‘সোলজার! বলে এসো! তার কোনো চিঠি আমি পাইনি কখনো!’
1 Articlesশিলিগুড়িতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। কবিতা প্রধান আশ্রয়; পাশাপাশি বই পড়া, সিনেমা দেখা ও ভ্রমণ নিত্যসঙ্গী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দুটি— ‘সুন্দরের বেদনা’ এবং ‘এই মুক্তি চাইনি আমি’। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি ‘শিলিগুড়ি জংশন’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে যুক্ত। প্রিয় কবি জয় গোস্বামী।
1 Articlesকবি ও গদ্যকার। জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৩। পড়েছেন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ। একমাত্র প্রকাশিত বই ‘রাউলা’ (২০২০)।1 Articles