Something about our authors goes here.
Authors
নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকেই কবিতা লেখার পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে প্রবন্ধ লিখছেন মোস্তাক আহমাদ দীন। ইতিহাসের প্রতি আগ্রহবশত অনুবাদ করেছেন সিলেটের ইতিহাসের প্রাচীনতম গ্রন্থতারিখে জালালি। সম্পাদনা করেছেন ফকিরি তত্ত্বের আদিগ্রন্থ ফকির বিলাশসহ এ-অঞ্চলের বাউল-ফকিরদের গান এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশিত জনজাতিবিষয়ক গ্রন্থ বাঙ্গালা ও বাঙ্গালার বাহিরে যে সকল দুর্ব্বৃত্ত জাতি চুরি ডাকাইতি প্রভৃতি করে তাহাদের সম্বন্ধে পুস্তক। সম্পাদনা করেন সমালোচনাকাগজ মুনাজেরা। ভিখিরিও রাজস্থানে যায় কাব্যগ্রন্থের জন্য এইচএসবিসি-কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কারসহ কবিতার জন্য পেয়েছেন আরও একাধিক সাহিত্যপুরস্কার; লোকসংস্কৃতিক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য শিল্পকলা একাডেমি পদক। তাঁর মৌলিক, অনূদিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা সর্বমোট ২৭টি। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মোস্তাক আহমাদ দীন ভারতের কেন্দ্রীয় আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন ২০০৯ সালে। পেশাগত জীবনে একজন শিক্ষক, বর্তমানে লিডিং ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগে শিক্ষকতার পাশাপাশি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন।
1 Articlesআলিপুরদুয়ার জেলার হ্যামিল্টনগঞ্জের সুভাষপল্লিতে থাকেন। কলেজে পড়াকালীন লেখালেখির শুরু। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কিছুক্ষণ থাকা অথবা অনন্তকাল’।1 Articles
শিশুসাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক। গত শতাব্দীর নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে লেখালেখি করে আসছেন। কর্মরত রয়েছেন দৈনিক আমাদের সময়ের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে। প্রকাশিত বইগুলো হলো- ‘নিস্তরঙ্গের বীতস্বরে’ (কবিতা); ‘ভাল্লাগে না’ (শিশুতোষ ছড়া); ‘হাজার তারার আলো’ (শিশুতোষ ছড়া-কবিতা); ‘স্বর ভাঙার গান’ (কবিতা); ‘ভূত খেলে কুতকুত’ (শিশুতোষ গল্প); ‘রুকু টুকুর গাছবন্ধু’ (শিশুতোষ গল্প); ‘লাল পিঁপড়ার সেলফি মেয়ে’ (শিশুতোষ গল্প) ও ‘পাখিগাছ ও বুড়ো কাকের গল্প’ (শিশুতোষ গল্প)। এ ছাড়া ছড়া ও ছড়াবিষয়ক ছোটকাগজ ‘পাঁপড়’ ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সম্পাদনা করে আসছেন। ‘পাঁপড়’ সম্পাদনার জন্য পেয়েছেন আনওয়ার আহমদ স্মৃতি পুরস্কার। এছাড়া শিশুসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০১৫’ ও ‘লাটাই ছড়াসাহিত্য পুরস্কার-২০১৭’। এর বাইরেও নানাবিধ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।
1 Articlesজন্ম ৪ জুন ১৯৮২ সালে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার বালিয়াকান্দি গ্রামে। পিতা আবদুল হাই ও মাতা আসমা খাতুন। সহধর্মিনী সানজিদা আক্তার ইমু। দুই কন্যা ওয়াসিয়া তাজনূর বারিষা ও ওয়াসফিয়া নাজরীন এষা। বিজবাগ এন. কে উচ্চ বিদ্যালয় ও চৌমুহনী সরকারী এস. এ কলেজ থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করেন। শামসুর রাহমানের কবিতা নিয়ে গবেষণা করে এম.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন ২০১২ সালে। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনায় নিয়োজিত।
ছোটোবেলা থেকেই লেখালেখির সূচনা। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দৈনিক,সাহিত্যপত্র ও ছোটোকাগজে নিয়মিত লেখেন। প্রকাশিত গ্রন্থ ১৩ টি। কাব্যগ্রন্থ: প্রথম অন্ধকার, প্রলম্বিত রাতের নর্তকী, ঘুড়িদের পার্থিব আকাশ, মানুষ তোমার দিকে, মর্ত্যের মাছিরা, সূর্যফুলের রৌদ্রঘ্রাণ; প্রবন্ধগ্রন্থ: শামসুর রাহমানের কবিতা: মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ, বাংলাদেশের সাহিত্য:পরিপ্রেক্ষিত ও সাম্প্রতিক প্রবণতা; গল্পগ্রন্থ: রাতশিকারি; উপন্যাস:অতিমানবী, দ্বিখণ্ডিত চাঁদ; অনুবাদগ্রন্থ: ডি এইচ লরেন্সের কবিতা: ঈর্ষা ও একটি প্রেমগীতি; সম্পাদিত গ্রন্থ: নির্বাচিত প্রথম দশক। সম্পাদনা করেন সাহিত্য শিল্প ও সংস্কৃতির ছোটোকাগজ ‘অক্ষৌহিণী’ এবং শিল্প সাহিত্য ও সমাজ রাজনীতির পত্রিকা ‘সৃজন’।
1 Articlesবগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। ‘মায়া হারানোর গল্প’ তাঁর প্রকাশিত প্রথম ছোটোগল্পের বই।
1 Articlesজন্ম ৭ জানুয়ারি ১৯৬৯। পেশায় শিক্ষক। প্রকাশিত কবিতার বই : ডার্করুম মঘানক্ষত্র, ইন্দ্রজাল কমিকস, মায়াতাঁত, নৈশ শিস, আত্মবিষ, যক্ষের প্রতিভূমিকা, অসুস্থ শহর থেকে, অ্যাসিড বালব্, স্বনির্বাচিত কবিতা। আমার অ্যাম্বুশ (গদ্যগ্রন্থ)। সম্পাদিত কবিতাসংকলন: উত্তরপূর্বের তরুণ কবিদের শ্রেষ্ঠ বাংলা কবিতা উত্তরপূর্বের কবিতা, ত্রিপুরার বাংলা কবিতা।1 Articles
কবি ও প্রাবন্ধিক। স্নাতকোত্তর, গবেষণারত। সাতটি কবিতার বই, দুটি প্রবন্ধের ও একটি অনুবাদের বই প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার লুপ্তপ্রায় এক লোকসংগীত কাঁদনাগীত : সংগ্রহ ও ইতিবৃত্ত-এর জন্য পেয়েছেন ২০২০ সালের ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি’ পুরস্কার ‘কৃত্তিবাস মাসিক পুরস্কার ২০১৯' পুরস্কার। তাঁর কবিতার বইগুলোও বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছে। যেমন : রাঢ় বাংলা রোদ্দুর সম্মান, বইতরণী পুরস্কার, শব্দপথ যুব সম্মান এবং এখন শান্তিনিকেতন পদ্য সম্মান। গবেষণা ছাড়া অনুবাদের কাজেও অর্জন করেছেন দক্ষতা।1 Articles
জন্ম চাঁদপুরে। চট্টগ্রামে বসবাস দুই বছর বয়সকাল থেকে। কবিতার পাশাপাশি আগ্রহের বিষয় আলােকচিত্র। প্রকাশিত কবিতার বই ‘আধখাওয়া ফলের জীবনী’ (২০১০), টুকরাে হয়ে ছড়িয়ে পড়ি (২০১৬) এবং ‘এসো হে জন্ম’ (২০১৯)। ২০২০ সালে নির্মাণ করেন সাংসারেক ধর্মের শেষ পুরোহিত জনিক নকরেকের উপর প্রমাণ্য চলচ্চিত্র ‘গিত্তাল মি আচ্ছিয়া’।
1 Articles