Something about our authors goes here.
Authors
মন বলে লিখে রাখতে, তাই লেখেন; নইলে ঘুম হবে না। কথা বলতে ভালোবাসেন বলে পেশায় উপস্থাপক। ভালোবাসেন আবৃতি করতে, রান্না করতে। তিনি একই সঙ্গে ঘরোয়া, ওয়ার্কহলিক এবং অ্যাম্বিশাস।
নিজের স্বপ্ন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একদিন আমি একটা বাড়ি বানাব। হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, কবুতর, কুকুর-বিড়াল আর গাছেদের বাড়ি। ঢেঁকি, খড়কুটো, শাক-সবজি, ফল আর মাছেদের বাড়ি। বুকভর্তি ভালোবাসা নিয়ে উঠে আসা একগুচ্ছ হৃদয়বান মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে সে বাড়ির সদর দরজা।’
1 Articlesনিজের পরিচয় তিনি দেন এভাবে— ফাল্গুনের ৩ তারিখ জন্মাইছি। বাড়ি- নদীর পাড়। বাঘা আইড় দম্পতির তিনমাত্র সন্তান। এখন ঢাকায় থাকি, মানুষের বাজারে ঘুরে বেড়াই। যেহেতু মাছ, বুড়িগঙ্গার জলে পরিচয় ঘোলা হয়ে গেছে। মেঘে আর চাঁদের বিন্দুতে জাল ফেলে আমাকে তুলে নিন।
1 Articlesজন্মগ্রহণ করেন ১৯৯২ সালের ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শহরের গোসাইলডাঙ্গায়। স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন চিত্রকলা বিষয়ে চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। নিয়মিত দৃশ্যশিল্পের নানান মাধ্যমে চর্চা করছেন। ‘নির্বাসিতের গল্প’ শিরোনামে তার প্রথম একক শিল্প প্রদর্শনী ২০১৮ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ‘কলাকেন্দ্রে’ অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সালে ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের ১০০ জন যুবার মধ্যে শিল্পী হিসেবে ভারত ভ্রমণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি (কেন্দ্রিয় কার্যলয়), ঢাকাতে চারুকলা ও সৃজনী প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার পাশাপাশি, ক্রিয়েটিভ হেড হিসেবে ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ প্লাটফর্মে কাজ করছেন। প্রতিনিয়ত প্রচ্ছদ শিল্প ও পুস্তক অলংকণের পাশাপাশি লেখালেখি করেন।1 Articles
একজন বাংলাদেশি সাংবাদিক, গীতিকার, লেখক ও পরিচালক। তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ লাভ করেন। তিনি স্বপ্নসিঁড়ি অডিও ভিজুয়ালের প্রধান নির্বাহী। জন্ম সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নুরপুর গ্রামে। ২০০০ সালে লেখালেখি শুরু করেন। প্রকাশিত বইসমূহের মধ্যে আছে ‘ফুলপাখির জন্মমৃত্যু’, ২০১০; ‘স্মৃতিমেঘ, স্বপ্নজালরেখা’, ২০১৩; ‘দখিন দুয়ারের হাওয়া’, ২০১৪; ‘ও জীবন ও মায়া’ ২০১৬ ইত্যাদি। তার পরিচালিত প্রথম টিভি নাটক ‘ফাঁদ’। তিনি নাটকটির গল্পও লিখেছেন। সেজুল হোসেন গান লেখা শুরু করেন২০০৬ সালে। তিনি শতাধিক গান লিখেছেন। ‘সত্তা’ চলচ্চিত্রের ‘না জানি কোন অপরাধে’ গান রচনার জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ লাভ করেন।
1 Articles১৯৮০ সালের শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার গণপদ্দী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে প্রথম বেসরকারি কলেজ। এরপর সরকারি কলেজ শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে পেশায় একজন সরকারি কর্মকর্তা। ২০১৯ সালে বেরহয় প্রথম কবিতার বই ‘এক পয়সার সলতে জীবন’। ২০২০ সালে একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘অদৃশ্য খোলস’। দুটি বই-ই বৈভব প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। চাকরিসূত্রে বর্তমানে বরিশালে বসবাস করছেন।
1 Articlesহাসান মাহবুবের জন্ম ১৯৮১ সালের ৭ই নভেম্বর। পদ্য দিয়ে লেখালেখির শুরু হলেও এখন কাজ করছেন গদ্য নিয়ে। গল্প এবং উপন্যাস লিখে থাকেন।
1 Articlesগল্পকার। জন্ম রংপুর জেলায়, ১৯৯২ সালে। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘তখন গল্পের তরে’ (২০২২)।
1 Articlesকবি, গল্পকার, প্রাবন্ধি ও অনুবাদক। জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৬১, নতুন অনন্তপুর, উলিপুর, কুড়িগ্রাম। বর্তমানে সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ। প্রকাশিত গ্রন্থ : বিষণ্ন জ্যোৎস্নার আকুতি (কবিতা), আবহমান উলুধ্বনি (কবিতা), নিভৃতিচর্চা (কবিতা), কাচপোকার ঘূর্ণিদৃশ্য (কবিতা), দূরবীনের ভিতর দিয়ে (ছোটোগল্প), বেগুনি আগুন (ছোটোগল্প), সাহিত্যের স্বদেশ ও বিশ্ব (প্রবন্ধ), দশকের বৃত্ত পেরিয়ে ও অন্যান্য প্রবন্ধ (প্রবন্ধ)।
1 Articlesজন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১। ময়মনসিংহের তরাকান্দা উপজেলার কলহরি গ্রামে। প্রকাশিত বই ‘চলো যাই বলিনি’ (কবিতা), উত্তরে তুমি (কবিতা), ‘জনপদে ঘোড়ামানুষ’ (কবিতা), ‘যেভাবে ধনুর্বিদ্যা শেখা’ (কবিতা), ‘সীমানায় কাঁটাতার’ (কবিতা), ‘নির্বাচিত কবিতা’ (কবিতা), ‘ষোলো চালের বাগাডুলি’ (কবিতা)। সম্পাদনা: ‘অনুশীলন’ (১৯৯৩—১৯৯৬), ‘অনুশীলন আড্ডা’ (১৯৯৬—১৯৯৮), ‘ময়মনসিংহ জং’ (২০০০ সাল থেকে চলমান)। পুরস্কার ও সম্মাননা: লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ সম্মাননা ২০০৮, বগুড়া লেখক চক্র স্বীকৃতি পুরস্কার ২০১৩, অনুশীলন সাহিত্য সম্মাননা (কবিতায়) ২০১৮।
1 Articlesফয়েজ আলমের চিন্তার ধরন ও রোখ প্রচলিত সাহিত্য ধারা থেকে ভিন্ন। আমাদের মনোজগতে উপনিবেশি প্রভাব চিহ্নিতকরণ ও কাটিয়ে উঠার কৌশল রচনা করে এবং ব্যক্তি ও সমাজের উপর নানামুখি হেজেমনির রূপ ও উৎস চিনিয়ে দিয়ে তিনি আমাদেরকে স্বাধীন চিন্তার পথে এক ধাপ এগিয়ে দেন।
ফয়েজ আলম তার কবিতায় মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার প্রতি উন্মুক্ত। যে ভাষাকে আমরা ব্রাত্য বানিয়ে রেখেছি একেই তিনি জায়গা করে দিয়েছেন কবিতায়। তাই প্রচলিত কাব্যভাষা থেকে তাঁর কবিতার ভাষা ভিন্ন। বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এ ভাষাকেই বলেছেন মান কথ্যবাংলা, আঞ্চলিকতার বাইরে সর্বাঞ্চলীয় বাঙালির প্রতিদিনের মুখের ভাষা। কবিতাগুলো কখনো কখনো বিভিন্ন ধ্বনি ও শব্দে বেশি বা কম জোর দিয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে, যেভাবে আমরা হয়তো আড্ডার সময় কথা বলি। এবং তা একই সাথে বক্তব্যের অতিরিক্ত ভাষারও অভিজ্ঞতা। খোদ ‘আওয়াজের সাথে ইশক’ যেন। প্রাণের আকুতি ও চঞ্চলতার সাথে তাই শূন্যতাও হাজির আছে। সেই সাথে জারি আছে ‘শব্দের দিলের ভিতরে আরো শব্দের আশা’। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দশের উপর।
1 Articles